কাবুলে ড্রোন হামলা: যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমা চাওয়াই ‘যথেষ্ঠ নয়’

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৩:৪৮

আগস্ট মাসের শেষদিকে আফগানিস্তানে কাবুলে যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোন হামলায় ভুলবশত ১০ বেসামরিক নাগরিক হত্যার ঘটনা স্বীকার করে ক্ষমা চাওয়ার পর নিহতের স্বজনরা বলছেন, শুধু ক্ষমা চাওয়াই যথেষ্ট নয়, তারা ঘটনার ন্যায় বিচার দাবি করেছেন। 

আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, নিহতের শোকাহত স্বজনরা অপরাধীকে জবাবদিহির পাশাপাশি আর্থিক ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন দাবি করেছেন।

শুক্রবার মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান জেনারেল ফ্ল্যাঙ্ক ম্যাকেঞ্জি বলেছেন, ড্রোন হামলায় যারা মারা গিয়েছিল তারা আইএসকেপির সঙ্গে যুক্ত ছিল বলে মনে হচ্ছে না। ওই হামলা চালানোর ঘটনায় তালেবানের থেকে কোনো গোয়েন্দা তথ্য নেওয়া হয়নি। তিনি বলেন, সেই হামলায় সাতজন শিশুসহ ১০ জন বেসামরিক মানুষ মর্মান্তিকভাবে নিহত হয়েছে। এটি একটি ভুল ছিল। আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।

নিহতদের মধ্যে একজনের নাম জামাইরি আকমাদি। কাবুল বিমানবন্দর থেকে তিন কিলোমিটার দূরে তার গাড়িতে ড্রোন হামলা চালানো হয়। মার্কিন বাহিনী প্রথমে বলেছিল, গাড়িটি বিস্ফোরকদ্রব্যে ভর্তি ছিল।কোন বিবরণ উপলভ্য নেই।
নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে আরেকজন ছিলেন আহমাদ নাসের। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনীর দোভাষী হিসেবে কাজ করতেন। অন্য একজন আন্তর্জাতিক সংস্থায় কাজ করতেন। যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার জন্য তাদের কাছে ভিসাও ছিল।

ওই হামলায় ইমার আহমাদির ৩ বছর বয়সের কন্যা সন্তান নিহত হয়। শনিবার অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের কাছে এক সাক্ষাৎকারে সন্তানহারা এই বাবা, যারা ড্রোন হামলা চালিয়েছে তদন্ত করে তাদের শাস্তি দাবি করেন।  

ইত্তেফাক/এসজেড