বিসিবি নির্বাচনের ক্যাটাগরি-৩ থেকে ২০১৩ সালে সাবেক অধিনায়ক গাজী আশরাফ হোসেন লিপুকে হারিয়ে এবং ২০১৭ সালে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছিলেন খালেদ মাহমুদ সুজন। এবারের নির্বাচনে অবশ্য ভোটের লড়াইয়ে নামতে হচ্ছে তাকে।
ক্যাটাগরি-৩ এর একটি পরিচালক পদের জন্য শনিবার মনোনয়নপত্র কিনেছেন সুজন ও দেশের প্রখ্যাত কোচ, সাকিব-মুশফিকদের গুরু নাজমুল আবেদীন ফাহিম। বিকেএসপি থেকে কাউন্সিলর হয়েছেন তিনি। বর্তমানে বিকেএসপির ক্রিকেট উপদেষ্টাও তিনি। মনোনয়নপত্র কেনার পর সুজনের প্রতি শুভকামনা জানিয়েছেন ফাহিম। পরে সুজনও বলেছেন, নির্বাচনের চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত তিনি।
বাংলাদেশের ক্রিকেটে দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততা এবং নিজের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতেই বোর্ডের নীতিনির্ধারণী পদে যেতে চান ফাহিম। প্রতিদ্বন্দ্বী সুজন সম্পর্কে ফাহিম বলেছেন, ‘আমার সাথে সুজনের দেখা হয়েছে এবং তাকে আমি উইশ করেছি সেও আমাকে উইশ করেছে। আমি আশা করি একটা ভালো পরিবেশে নির্বাচনটা হবে। তার জন্য আমার শুভ কামনা থাকলো।’
নির্বাচনে লড়তে প্রস্তুত সুজনও। বলেন, ‘নির্বাচনে তো প্রতিদ্বন্দ্বী থাকবে, সেটাই স্বাভাবিক। অবশ্যই ফাহিম ভাই আমার কোচ, অনেক সিনিয়র, আমরা এক সাথে ছিলাম, কাজ করেছি, গেম ডেভলপমেন্টে তিনি আমার অধীনে ছিলেন, কাজ করেছেন। চ্যালেঞ্জ তো আমি সবসময়ই পছন্দ করি, এটা আমার জন্য ভালো। তিনি নির্বাচনে এসেছেন তাতে আমি খুশি। তার সাথে আমার দেখা হয়েছে, কথাও হয়েছে।’
ই-ব্যালটের অপব্যবহার নিয়ে শঙ্কা:
বিসিবি নির্বাচনে এবার পোস্টাল, ই-ব্যালটে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন কাউন্সিলররা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পরিচালক প্রার্থী এমন সুবিধার অপব্যবহারের শঙ্কা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, করোনার বিধিনিষেধ তুলে নিয়েছে সরকার। দেখেন এজিএমে কিন্তু দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে কাউন্সিলররা এসেছেন। এখন যদি কাউকে চাপ প্রয়োগ করে বাসা থেকে পোস্টাল, ই-ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিতে বাধ্য করা হয়, সেটা কিভাবে ঠেকাবেন? অবশ্য কেউ দেশের বাইরে থাকলে এই সুবিধা ব্যবহার করতেই হবে।
ইত্তেফাক/এসআই
