একজন অ্যাঙ্গেলা মের্কেল

আপডেট : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০২:২৮

জার্মানির নির্বাচন নিয়ে যতটা আলোচনা তার চেয়েও বিশ্ব মিডিয়ায় বেশি আলোচনা হচ্ছে মের্কেলকে নিয়ে। তিনি ইইউর বর্তমান নেতাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সময় ধরে নেতৃত্বে। তিনি প্রায় ১০০টি ইইউ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন। ইইউকে বহু সংকট পার হতে সহায়তা করেছেন।

অভিবাসন সংকট, ইউরো সংকট, কোভিড-১৯ এমনকি কিছুটা ব্রেক্সিটের ক্ষেত্রেও। কিন্তু মের্কেলর রাজনৈতিক জীবন দুই ভাগে বিভক্ত। ইউরোপের নেতা হিসেবে এবং জার্মানির নেতা হিসেবে তার উত্তরাধিকার আসলে ভালো-মন্দ মিলিয়ে।

Germany Stuck With Merkel's Unfinished Business

মের্কেলের সমালোচনা হয় এজন্য যে গত ১৬ বছরের শাসনকালে তিনি ছিলেন একজন ‘ক্রাইসিস ম্যানেজার’। সংকট সামাল দিতে তিনি অপেক্ষা করতে করতে একেবারে শেষ মুহূর্তে গিয়ে সিদ্ধান্ত নিতেন।

বলা হয়, তিনি একজন বাস্তববাদী, কিন্তু দ্রষ্টা নন। সমালোচকরা বলেন, ইউরোপের নেত্রী হিসেবেও তিনি একইভাবে কাজ করেছেন। বলা হয়, মার্কেল যা করেছেন তার অভিঘাত, রাজনীতি ছেড়ে দেওয়ার পরও বহু দিন অনুভূত হবে। মের্কেলের বাস্তববুদ্ধি অনেক সময় ইইউকে বহু সংকট পার হয়ে আসতে সহায়তা করেছে যা কখনো কখনো ইইউর অস্তিত্বতে বিপন্ন করতে পারত।

ধরা যাক, ২০১৫ সালের ইউরোজোনের সংকটের কথা। গ্রিসের খ্যাপা অর্থমন্ত্রী ইয়ানিম ভারুফাকিসও স্বীকার করেন, তার দেশের আর্থিক দুরবস্থা সত্ত্বেও গ্রিসকে ইউরোজোনের ভেতরে রেখে মার্কেল আসলে ইউরো মুদ্রাকে বাঁচিয়েছেন। তিনি বলেন, শেষ পর্যন্ত মের্কেলের জন্যই ইউরোজোন টিকে গেছে। কারণ গ্রিস বেরিয়ে গেলে ইউরোজোনকে একসঙ্গে রাখা সম্ভব হতো না।

ইত্তেফাক/টিআর