ভারতের রাজধানী দিল্লির সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলোতে ‘ভারত বন্ধ্’ কর্মসূচি পালন করছে কৃষক সংগঠনগুলো। মোদি সরকার কর্তৃক গৃহীত বিতর্কিত তিনটি কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে চলমান দীর্ঘদিনের আন্দোলনের অংশ এই কর্মসূচি। ফলে বন্ধ রয়েছে অসংখ্য ট্রেন। খবর প্রকাশ করেছে এনডিটিভি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দিল্লি-মিরাট এক্সপ্রেসওয়ে ব্লক করে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে উত্তর প্রদেশ থেকে আসার রুটে ব্যাপক যানজট দেখা দিয়েছে। দিল্লি সীমান্তবর্তী গুরুগাঁও এবং নয়ডায় যানজট ভয়াবহ আকার রুপ নিয়েছে। সম্মিলিত কিষাণ মোর্চার (এসকেএম) নেতৃত্বে চলমান এই কর্মসূচি ভোর ৬টায় শুরু হয়েছে এবং চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। এতে অংশ নিয়েছে ৪০টির বেশি কৃষক সংগঠন।
গুরুগাঁও এবং নয়ডায় দিল্লি প্রবেশমুখে থাকা গাড়িগুলোকে আটকে দিয়েছে দিল্লি পুলিশ এবং আধাসামরিক জওয়ানরা। এসকেএম বলছে, কর্মসূচি চলাকালীন সারা দেশে সরকারি ও বেসরকারি অফিস, শিক্ষা ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান, দোকান, শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। তবে জরুরি পরিষেবাগুলো কর্মসূচির আওতামুক্ত থাকবে।
দিল্লির ভেতরে অটোরিকশা এবং ট্যাক্সি স্বাভাবিকভাবে চলাচল করছে। দোকানপাটও খোলা হয়েছে। তাদের ইউনিয়ন এবং অ্যাসোসিয়েশন বলছে, তারা কৃষকদের এই ধর্মঘটকে কেবল নীতিগত সমর্থন দিয়েছে।
এর বাইরে কৃষকরা হারিয়ানা ও পাঞ্জাবের মধ্যকার শম্ভু বর্ডারও ব্লক করে দিয়েছে। সেই প্রেক্ষিতে গতকালই হারিয়ানা পুলিশ জনগণকে নির্দেশ দিয়েছে যেন তারা দুর্ভোগ মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকে। পাঞ্জাবে কৃষকদের আন্দোলনে সমর্থন দিতে কর্মীদের আহ্বান জানিয়েছেন রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি নবজিত সিং সিদ্ধু।
ইত্তেফাক/টিএ
