সারিয়াকান্দি উপজেলার বোহাইল ইউনিয়নের শংকরপুর চরে নির্মিত সেতু সঙ্গে সংযোগ সড়ক না থাকায় দুর্ভোগে পরেছেন স্থানীয়রা। যোগাযোগের ক্ষেত্রে কোনও কাজেই আসছে না সেতুটি।
স্থানীয়রা জানান, কৃষক উৎপাদিত কৃষিপণ্য হাটবাজারে নিতে ঐ সড়ক ব্যবহার করে থাকেন। সে জন্য সড়কটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কর্নিবাড়ী ইউনিয়নের শোনপচা বাজার থেকে শুরু করে পূর্ব ধারাবর্ষা, দক্ষিণ ধারাবর্ষা, দক্ষিণ শংকরপুর, মাঝিড়া, বোহাইল, নৈকুলা, নান্দিনার চর, ফুলজোড়, ক্যাজেরচর, মাদারগঞ্জের আটাত্তুর চরের লোকজন এই সড়ক পথে উৎপাদিত ফসল আশেপাশের হাট বাজারে নিয়ে বিক্রি করে থাকেন। কিন্তু সেতুতে সংযোগ সড়ক না থাকায় কৃষকরা যানবাহনে করে ঐ সড়কে পণ্য হাটবাজারে নিতে পারে না। ফলে দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের গ্রামীণ রাস্তায় সেতু/কালর্ভাট নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৩৩ লাখ টাকা ব্যয়ে ১৮ মিটার দৈর্ঘ্যের সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছিল। সেতুর দুই পাশে পেলিসেডিং ও মাটি ভরাট করে সংযোগ সড়ক নির্মাণের কথা ছিল। কিন্তু তা না করে ঠিকাদারের বিল পরিশোধ করা হয়েছে।
এবিষয়ে সংশ্লিষ্ট উপ-সহকারী প্রকৌশলী আব্দুল হাদী জানান, কাজের এ্যাস্টিমেটে সংযোগ সড়ক ধরা ছিল না। তবুও মাটি কেটে সংযোগ সড়ক করা হয়েছিল। কিন্তু বন্যায় ধসে গেছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, আমি নতুন যোগদান করেছি। কাজগুলো ডিজি অফিস থেকে তদারকি করা হয়ে থাকে। এ ব্যাপারে আমি আর কোনো মন্তব্য করতে চাই না।
মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আতিকুল হক ইত্তেফাককে বলেন, ঐ সমস্ত সেতুতে টিআর, কাবিখা প্রকল্প দিয়ে সংযোগ সড়ক করে দেওয়া হবে।
ইত্তেফাক/ইআ
