৩০ কোটি টাকা পর্যন্ত মূলধন সংগ্রহ করতে পারবেন এসএমই উদ্যোক্তারা

আপডেট : ০১ অক্টোবর ২০২১, ০৩:১৪

পুঁজিবাজারে ছয়টি ক্ষুদ্র ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানের লেনদেন শুরু হয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো —ওরাইজা অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ, মাস্টার ফিড অ্যাগ্রো টেক, এপেক্স উইভিং অ্যান্ড ফিনিশিং মিলস লিমিটেড, ওয়ান্ডারল্যান্ড টয়েস লিমিটেড, হিমাদ্রী লিমিটেড ও বেঙ্গল বিস্কুট লিমিটেড।

বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ-ডিএসইর চেয়ারম্যান মো. ইউনুসুর রহমানের সভাপতিত্বে এ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন-বিএসইসির কমিশনার ড. মিজানুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন এসএমই ফাউন্ডেশনের চেয়ারপার্সন অধ্যাপক ড. মো.মাসুদুর রহমান।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তারিক আমিন ভূঁইয়া বলেন, এসএমই ফাউন্ডেশন এবং ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের যৌথ উদ্যোগের ফলে দেশের এসএমই খাতের ইতিহাসে নতুন মাত্রা সূচিত হলো।

স্টক এক্সচেঞ্জের সব কার্যক্রম ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ - Bhorer Kagoj

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এসএমই ফাউন্ডেশনের চেয়ারপার্সন অধ্যাপক ড. মো. মাসুদুর রহমান বলেন, এসএমই প্রতিষ্ঠানগুলো বছরে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকার মতো ঋণ পেলেও প্রকৃত চাহিদা চার গুণ বেশি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএসইসির কমিশনার ড. মিজানুর রহমান বলেন, দেশের অর্থনীতির আকার গত ১০ বছরে ৬৩ শতাংশ বেড়েছে, যাতে সবচেয়ে বেশি অবদান এসএমই খাতের। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, নিয়ম অনুসারে এসএমই উদ্যোক্তারা পুঁজিবাজার থেকে ৫ কোটি টাকা থেকে ৩০ কোটি টাকা মূলধন সংগ্রহ করতে পারবেন।

উল্লেখ্য, বর্ণিত বিধি অনুসারে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের পুঁজিবাজার থেকে মূলধন আহরণের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ৩০ এপ্রিল ২০১৯ থেকে ‘ডিএসই এসএমই’ প্ল্যাটফরম চালু করে। এই প্ল্যাটফরমের মাধ্যমে এসএমই খাতভুক্ত কোম্পানিসমূহ পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির মাধ্যমে পুঁজি সংগ্রহ করতে পারবে।

ইত্তেফাক/জেডএইচডি