পয়েন্ট টেবিলের ৭ নম্বরে থাকায় প্লে-অফের আগেই আইপিএল শেষ হয়ে গেছে রাজস্থান রয়্যালসের। তাই বিদেশি খেলোয়াড়রা চলে গেছেন যার যার গন্তব্যে। অবশ্য আইপিএলের প্রথম রাউন্ড পর্যন্তই বিসিবি থেকে ছাড়পত্র পেয়েছিলেন মুস্তাফিজুর রহমানের। দল প্লে-অফে উঠলেও খেলতে পারতেন না বাংলাদেশি এই পেসার।
রাজস্থান রয়্যালস ছাড়লেও বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ক্যাম্পে যোগ দিতে মরুর দেশেই রয়েছেন তিনি। উঠেছেন আবুধাবিতে বাংলাদেশের জন্য নির্ধারিত টিম হোটেলে।
আইপিএলে এবার রাজস্থানের হয়ে সবকটি ম্যাচই খেলেছেন মুস্তাফিজ। ১৪ ম্যাচে ৩১.১৪ গড়ে উইকেট পেয়েছেন ১৪টি। বিপরীতে ওভার প্রতি রান দিয়েছেন প্রায় সাড়ে আট (৮.৪১) করে।

করোনা ভাইরাসের কারণে দুই পর্বে অনুষ্ঠিত হয় আইপিএল। প্রথমে ভারত পর্বে ৭ ম্যাচে ৮ উইকেট নেন মুস্তাফিজ। তবে খুব একটা আলোকিত করতে পারেননি নিজেকে। আরব আমিরাত পর্বে রাজস্থান বোলিং অ্যাটাকের নেতৃত্ব দেন তিনি। প্রথম ম্যাচে উইকেট না পেলেও ডেথ ওভারে দুর্দান্ত বোলিংয়ে পাঞ্জাব কিংসের বিপক্ষে দলের জয়ে বড় অবদান রাখেন। পরের তিন ম্যাচে তার কাটারে বিভ্রান্ত করেন ব্যাটসম্যানদের। ৫ উইকেট শিকার করার পাশাপাশি রান দেয়ার বেলাতেও ছিলেন আঁটসাঁট। কিন্তু শেষ তিন ম্যাচে সেই পারফরম্যান্স ধরে রাখতে পারেননি মুস্তাফিজ।

কিছুদিন পর ওমান ও আরব আমিরাতেই বসবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। তাই আইপিএল এক অর্থে বিশ্বকাপের প্রস্তুতিই নিয়েছেন মুস্তাফিজ। কেননা বিশ্বকাপে বাংলাদেশের বোলিং অ্যাটাকের নেতৃত্বভার তার হাতেই থাকবে। সেই প্রস্তুতির শুরুটা আশা জাগানিয়া হলেও শেষে এসে কিছুটা শঙ্কা সৃষ্টি করে।
অন্যদিকে সাকিব আল হাসান প্রস্তুতির খুব একটা সুযোগ হয়ে উঠেনি। আরব আমিরাতে কলকাতা নাইট রাইডার্সের একাদশের হয়ে খেলেছেন মাত্র ২ ম্যাচ। তাতে ৫ ওভার বোলিং করে নিয়েছেন দুই উইকেট। কলকাতা প্লে-অফে উঠলেও সাকিবকে আর পাচ্ছে না। মুস্তাফিজের মতো তিনিও চলে গেছেন আবুধাবিতে।
ইত্তেফাক/এসআই
