জাতিনের কাঁধে চড়ে চমক দেখাতে চায় ওমান

আপডেট : ১৬ অক্টোবর ২০২১, ২২:১৪

জন্ম ১৯৮৯ সালে ভারতের পাঞ্জাবে। বাবা গুরমাইল ১৯৭৫ সাল থেকে কাঠমিস্ত্রি হিসেবে কাজ করছেন ওমানে। তাই মাত্র ১৪ বছর বয়সেই ওমানে স্থায়ীভাবে পাড়ি জমান জাতিন্দর সিং। সঙ্গে করে নিয়ে যান ক্রিকেটকেও। সেই জাতিন্দরের কাঁধে চড়েই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে চমক দেখানোর পরিকল্পনা আকছে ওমান। বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে রবিবার (১৭ অক্টোবর) স্বাগতিকদের প্রতিপক্ষ প্রথমবার বিশ্বমঞ্চে খেলতে আসা পাপুয়া নিউগিনি।

২০১৯ সালে অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে ওমানের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ছিলেন জাতিন। ৩৮.২৮ গড়ে ১৩৪.১৭ স্ট্রাইকরেটে ২৬৭ রান করেছিলেন এই ওপেনার। কিছুদিন আগে নেপালের বিপক্ষে হাকিয়েছেন ওয়ানডের প্রথম সেঞ্চুরি। তাই বিশ্বকাপেও তার ব্যাট থেকে রানের ফুলঝুড়ি আশা করছেন ওমানের অধিনায়ক জিশান মাকসুদ।

No description available.

তিনি বলেন, ‘বর্তমানে সে (জাতিন্দর সিং) আমাদের দলের সেরা খেলোয়াড়। আমরা চাই সে পারফর্ম করুক, যা আমাদের পরের রাউন্ডে যেতে সাহায্য করবে। পারফর্ম করে দেশকে গর্বিত করতে হবে তার।’

ক্রিকেটে জাতিনের ভালোবাসাটা বড় ভাই আমানদ্বিপের হাত ধরে। তবে ওমানের পাড়ি জমানোর পর তার স্বপ্ন ধুলির সঙ্গে মিশে যায়। কেননা ঘাসের কোনো মাঠ ছিল না মরুর দেশটিতে। অবশেষে ২০১২ সালে আল আমিরাত মাঠ নির্মাণ হওয়ার পর ফের নতুন করে স্বপ্ন দেখতে থাকেন জাতিন।

তিনি বলেন, ‘ঐ সময়টায় আমাদের সিমেন্টের উইকেট ও ধূসর মাঠ ছিল।যখন ঘাস আনা হলো, তখন আমার কাছে ব্যাপারটা স্বপ্ন সত্যি হওয়ার মতো লাগছিল। আমরা এর থেকে বেশি কিছু চাইনি।’

৩২ বছর বয়সী জাতিন ভারতীয় ওপেনার শিখর ধাওয়ানের বড় ভক্ত। তাই  উদযাপনটাও করেন তার মতো করেই। বিশ্বকাপে সেটা নিয়মিত করার প্রত্যাশা নিয়েই নামছেন এই ডানহাতি ওপেনার।

ইত্তেফাক/টিএ