বলিউড অভিনেত্রী পূজা বেদী টুইটারে শাহরুখ খানের পুত্র আরিয়ানকে ‘নির্দোষ শিশু’ বলে অভিহিত করেছে। গত ২ অক্টোবর কর্ডেলিয়া প্রমোদতরী থেকে অভিযানের পর গ্রেফতার হওয়া আরিয়ান বর্তমানে আর্থার রোড কারাগারে আছেন।

টুইটারে কবির বেদীর কন্যা পূজা প্রশ্ন তুলেছেন, ‘যদি আরিয়ান খানের কাছ থেকে কোনও নিষিদ্ধ ওষুধ না পাওয়া যায়, তাহলে কি এটা ভয়ঙ্কর নয় যে, একজন নির্দোষ শিশুকে লকআপে দিন কাটাতে হচ্ছে? বিনা কারণে কারাগারে রাখা মানসিকভাবে ক্ষতিকর। বিচার ব্যবস্থার একটি বড় সংস্কার প্রয়োজন। এই ধরনের ব্যবস্থা নির্দোষীদের শাস্তি দিয়ে অপরাধী তৈরি করে।’ আরিয়ানের কাছ থেকে নিষিদ্ধ ওষুধ না পাওয়া গেলেও তার বিরুদ্ধে নিয়মিত মাদক সেবন এমনকি অবৈধ পাচারের অভিযোগ রয়েছে। মুম্বাইয়ের একটি বিশেষ এনডিপিএস আদালত তার জামিন আবেদনের উপর ২০ অক্টোবর পর্যন্ত আদেশ স্থগিত রেখেছে।
If no drugs were found on #AryanKhan isn't it appalling that an innocent kid is made to spend days & days in lockup?
— Pooja Bedi (@poojabeditweets) October 16, 2021
Its psychologically damaging to be put in jail for no reason.
The judicial system needs a major revamp... such systems create criminals by punishing innocents.
যদিও অভিনেত্রীর এই টুইটের পর একাধিক মন্তব্য ছুড়ে দিয়েছে নেটিজেনরা। কেউ কেউ আরিয়ানকে ‘শিশু’ বলার জন্য কটাক্ষ করেছেন। কেউ লিখেছেন,’ আরিয়ান যদি শিশু হয় তাহলে ওই শিশু বয়সেই তাঁর বাবা শাহরুখ খান অভিনয় জগতে পা রেখেছিলেন’। অপর একজন মন্তব্য করেছেন,’ নীরাজ চোপরা জ্যাভলিন ছুঁড়ে অলিম্পিকে সোনার মেডেল জিতেছে এই ২৩ বছর বয়সেই’। অভিনেত্রী ও থেমে থাকেননি । তিনি আরও বলেছেন,’ কোনও কিছুই আসে যায়না তুমি যাই অর্জন করে থাকো, কিন্তু ২৩ বছর বয়সের কোনও কারণ ছাড়া জেলে বন্দি থাকা কম কথা নয়। বহু লোক বলবে, কিন্তু কোনও কারণ ছাড়া জেলের ভেতর বন্দি থাকা তাও দীর্ঘ সপ্তাহ ধরে… তাহলে কী রকম অনুভূতি আসে এই সিস্টেমের প্রতি? এটাই কি সেই সিস্টেম যাকে সম্মান এবং শ্রদ্ধা জানানো উচিত’।
অপর এক টুইটার ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘বলিউড বা গাটারউড যেমনটা তারা বলেন, দোকান বন্ধ করা উচিত। বিচার ব্যবস্থার বড় সংস্কারের প্রয়োজন নেই… বরং বলিউড (গাটারউড) শীঘ্রই বন্ধ করুন, যাতে আমাদের দেশকে দেশবিরোধী উপাদান/ক্রিয়াকলাপ থেকে রক্ষা করা যায়। প্রত্যেকেই তাদের আসল চেহারা দেখেছেন।’ পূজা ওই ব্যক্তির সমালোচনা করে বলেন, ‘আপনি যে বিষয়গুলো বলছেন তা দেখে মনে হচ্ছে আপনার চেতনার মধ্যে বিশাল সমস্যা রয়েছে। লকডাউন অনেকের মধ্যে দুষ্ট, নেতিবাচক এবং আক্রমণকারী মানসিকতা তৈরি করেছে। ফলে অনেকেই আক্রমণ করার জন্য প্রস্তুত হয়েছে… এমনকি নির্দোষদের উপরও। সমস্ত চাপা পিত্ত এবং নেতিবাচক আবেগ একটি খারাপ উপায় খুঁজে বের করে। সতর্ক হোন, লক্ষ্য করুন!’
ইত্তেফাক/এফএস
