রাজশাহীর বাঘায় প্রাথমিক সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষায় বান্ধবীর পক্ষ হয়ে পরীক্ষা দিতে গিয়ে আটক হয়েছে জ্যোতি খাতুন নামে এক পরীক্ষার্থী। রবিবার সকালে উপজেলার চন্ডিপুর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ইংরেজি পরীক্ষা চলাকালীন এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন তৈরি হয়েছে।
সূত্রে জানা গেছে, বাঘা উপজেলার জয়জয়রাম আনন্দ স্কুলের ছাত্রী নুপুর খাতুনের হয়ে সকালে উপজেলার চন্ডিপুর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষা দিচ্ছিল জ্যোতি খাতুন নামে অপর এক ছাত্রী। এ সময় দায়িত্বরত শিক্ষকরা তাকে সন্দেহ করে এবং তার প্রবেশপত্র যাচাই-বাছাই করা হলে ভুয়া প্রমাণিত হয়। পরে তাকে আটক করে অফিস কক্ষে বসিয়ে রাখা হয়। এরপর দুপুরে ওই ছাত্রীর অভিভাবকদের কাছে মুচলেকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিন রেজা ও পরীক্ষা কেন্দ্রের তদারকি কর্মকর্তা (একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের) মনিরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা শিকার করে বলেন, এ ধরনের ঘটনা যাতে আর না ঘটে এ জন্য জ্যোতি খাতুন ও তার পরিবারকে মুচলেকা এবং পরীক্ষার্থী নুপুর খাতুনকে এ বছরের মতো বহিষ্কার করা হয়েছে।
তবে কেন্দ্র সচিব এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত রয়েছেন বলে স্থানীয়রা সন্দেহ করছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন শিক্ষক জানান, যে ছাত্রীর পক্ষে প্রক্সি দেওয়া হয়েছে সেই ছাত্রী কেন্দ্র সচিবের নিকটতম আত্মীয়।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এবিএম সানোয়ার হোসেন বলেন, ওই ছাত্রীর বিষয়ে কেন্দ্র সচিবের কোন সহযোগিতার প্রমাণ পেলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ইত্তেফাক/জেডএইচ
