মার্গারিতার টিপস পেয়ে দারুণ খুশি বাংলাদেশি জিমন্যাস্টরা

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২১, ২০:২৯

২০১৬ রিও অলিম্পিক গেমস জিম্যানস্টিকসে স্বর্ণপদক জয়ী বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত রাশিয়ান তরুণী মার্গারিতা মামুন মঙ্গলবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে মিরপুর ইনডোর স্টেডিয়ামে গিয়েছিলেন। সেখানে বুধবার থেকে শুরু হবে সেন্ট্রাল সাউথ এশিয়ান আন্তর্জাতিক আটিষ্টিক জিম্যানস্টিকস চ্যাম্পিয়নশিপ। নেপাল, ভারত, পাকিস্তান, উজবেকিস্তান, বাংলাদেশ এবং শ্রীলঙ্কা লড়াই করবে। প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ। পুরুষ, মহিলা, জুনিয়র খেলোয়াড়রা লড়াই করবেন তিন বিভাগে।

মঙ্গলবার মিরপুর জিমনেসিয়ামে মা এনা মামুনকে নিয়ে হাজির হয়েছিলেন মার্গারিতা মামুন। স্বর্ণপদক জয়ী মার্গারিতাকে দেখে বাংলাদেশের নারী জিম্যান্যাস্টদের চোখে মুখে ছিল আনন্দের ঝিলিক। একজন অলিম্পিক স্বর্ণ জয়ী জিমন্যাস্ট এই প্রথম মিরপুরের ইনডোরে প্রবেশ করলেন। সবার সঙ্গে পরিচিত হলেন। এ সময় নারী কোচ হাসনা হেনা হ্যাপী ও উপস্থিত কর্মকর্তারা তার সঙ্গে ছিলেন।

No description available.

খেলোয়াড়দের কাছে মার্গারিতা জানতে চাইলেন বাংলাদেশি খেলোয়াড়রা কীভাবে খেলেন। মার্গারিতা ৪ বছর যুক্তরাষ্ট্রে প্রশিক্ষন নিয়ে অলিম্পিকে খেলতে গিয়েছিলেন। তার অভিজ্ঞতার ভান্ডার পূর্ণ। এমন ক্রীড়াবিদকে কাছে পেয়ে টিপস নেওয়ার সুযোগ কে হাতছাড়া করতে চায়। মার্গারিতা বাংলা বুঝেন না। আর বাংলাদেশি এই জিমন্যাস্টরাও রাশিয়ান ভাষা বুঝেন না। তার পর দেখা গেলো খেলার ভাষা সবার একই।

No description available.

সেই সুঁতো ধরে সবাই যেন কাছাকাছি চলে এলেন। মার্গারিতা বুঝিয়ে দিচ্ছিলেন কীভাবে খেলতে হয়। কোন বিষয়গুলো নজরে রাখতে হয়। বনুফুল চামকা, নূর আক্তার বানু, শান্তা ইসলাম, অ্যাঞ্জেলিয়ার মতো জিমন্যাস্টদের চোখ মুখ দেখে মনে হচ্ছিল সবই খুব সুন্দরভাবে বুঝতে পারছেন। গ্রহন করছেন দারুণভাবে।

No description available.

মার্গারিতাকে বাংলাদেশের মেয়েরা বলছিলেন একটু করে দেখাও। হাতে কলমে দেখিয়ে দিলেন মার্গারিতা। ব্যালেন্স করতে হলে হাতটাকে কীভাবে রাখতে হবে। পায়ের ব্যাল্যান্স তখন কী হবে। মার্গারিতা যখন নিজে দেখাচ্ছিলেন তখন ছোট বড় জুনিয়র জিমন্যাস্টরা খুশিতে আটখান।

No description available.

প্রায় ঘন্টাখানেক সময় কাটিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার পথে মার্গারিতা সংবাদমাধ্যমকে বলে গেলেন, ‘এটা আমার শেষ আসা (বাংলাদেশে) নয়। আগামীতে এদের নিয়ে কাজ করব। মন্ত্রণালয়ের সঙ্গেও কথা বলব।’

ইত্তেফাক/টিএ