বগুড়ায় নদী মেলা

আপডেট : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২০:৪০

নদী রক্ষা ও পরিবেশ বাঁচানোর লক্ষ্য নিয়ে বগুড়ায় নদী মেলা নামে ভিন্নধর্মী মেলার আয়োজন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে শহরের শহীদ খোকন পার্কে শুরু হয়েছে ৩ দিন ব্যাপী নদী মেলা। মেলার উদ্বোধন করেন বগুড়ার জেলা প্রশাসক ফয়েজ আহাম্মদ। বগুড়ার নদীগুলোর গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে এই আয়োজন। বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন বাপা’র সহযোগিতায় বগুড়া জেলা নদী রক্ষা কমিটি ও নদী বাঁচাও বগুড়ার যৌথভাবে এই মেলার আয়োজন করেছে।  

উদ্বোধনী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক ফয়েজ আহাম্মদ বলেন, বগুড়া থেকে শুরু হলো নদী বাঁচাও আন্দোলন। বগুড়ার নদীগুলো বাঁচানো জন্য নদী রক্ষা ও নদী বাঁচাও এর সঙ্গে জেলা প্রশাসনও যুক্ত হলো। নদীর ক্ষতি হলে অন্য ক্ষতিকর অপকর্মের মত নদীর ক্ষতিকারকদেরও শাস্তি হবে।

যারা নদীর গতিপথ, প্রবাহ ও নদীকে ভরাট করে পরিবেশ নষ্ট করার সাথে যুক্ত রয়েছে তাদেরকে এসব অপকর্ম থেকে সরে আসার আহবান জানিয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, সরকার নদী রক্ষায় খননের কাজ হাতে নিয়েছে।  

উদ্বোধনী সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন বগুড়া জেলা শাখার সভাপতি আনোয়ারুল করিম। সভায় উপস্থিত ছিলেন বগুড়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো. আব্দুস সামাদ, নদী মেলা আয়োজক কমিটির সদস্য সচিব মো. জিয়াউর রহমান, বগুড়া প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি দৈনিক করতোয়ার বার্তা সম্পাদক প্রদীপ ভট্টাচার্য শংকর, বগুড়া জেলা সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি তৌফিক হাসান ময়না, বগুড়া সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক জে এম রউফ, রোটারিয়ান মোস্তাফিজুর রহমান, বাপার সদস্যবৃন্দ প্রমুখ।

মেলায় মোট চারটি নদীর নামে স্টল দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে যমুনা, বাঙ্গালী, করতোয়া ও নাগর নদী। এছাড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের উদ্যোগে একটি স্টল দেওয়া হয়েছে। যেখান থেকে বগুড়ার নদীগুলো সম্পর্কে নতুন প্রজন্মকে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হবে। 

আরো পড়ুন: কাশ্মীরে বোমা হামলায় ২০ ভারতীয় সেনা নিহত

মেলায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, অতীতের স্মৃতিচারণ, কুইজ প্রতিযোগিতা, সেমিনার, আলোচনা সভা ও ভিডিও ডকুমেন্টরী প্রদর্শনের ব্যবস্থাও করা হয়েছে।মেলা উদ্বোধনের আগে বগুড়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বর থেকে একটি র‌্যালী বের হয়ে শহর প্রদক্ষিণ শেষে শহীদ খোকন পার্কে এসে শেষ হয়। র‌্যালীতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে।

ইত্তেফাক/অনি