ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মুজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন বলেছেন, অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের ঘর দিতে পেরে আমি গর্বিত।
শনিবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলা দরবার হলে অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের পুনর্বাসনের ঘরের দলিল হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধারা দেশের সূর্য সন্তান। আমার পিতাও একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলো। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে ৭১-এ বীর মুক্তিযোদ্ধারা জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছে। অনেক মুক্তিযোদ্ধা ও তার পরিবারের লোকজন না খেয়ে ধুঁকে ধুঁকে মরছিল। জননেত্রী শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতায় আসার পর থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের মূল্যায়ন করে সম্মানী ভাতা চালু ও পুনর্বাসনের জন্য ঘর দিচ্ছে। আগামীতে শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী থাকলে মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বপ্রকার সাহায্য সহযোগিতা করবেন।’
আগামীতে উন্নয়ন ও মূল্যায়ন পেতে হলে চরবিষ্ণুপুর ইউনিয়ন থেকে আ. লতিফ মাস্টারকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ভোট দিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করার আহ্বান জানান তিনি।
পরে তিনি আলী হোসেনের ডাঙ্গী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে জয় বাংলা হাট পর্যন্ত রাস্তা পরিদর্শন করে কার্পেটিং করার আশ্বাস দেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তারেক মাহমুদের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান কাজী শফিকুর রহমান প্রমুখ।
মাদারীপুর জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মুনীর চৌধুরীর মায়ের মৃত্যুবার্ষিকী পালন
মাদারীপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও শিবচরের কৃতি সন্তান বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মুনীর চৌধুরীর মা মরহুমা হোসনেয়ারা চৌধুরীর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে। শনিবার শিবচরের দত্তপাড়া তার নিজ বাসভবনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পালিত হয়।
মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে কোরআন খতম ও বাদ জোহর দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন।
এছাড়াও আরও উপস্থিত ছিলেন শিবচর উপজেলা চেয়ারম্যান লতিফ মোল্লা, পৌর মেয়র আওলাদ হোসেন খান, ওসি মিরাজ হোসেন, পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন তোতা খান, মাদারীপুর জেলা-উপজেলা আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ ছাড়াও জেলা-উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।
