নারায়ণগঞ্জে ভোটের রাজনীতিতে সংঘাত

আপডেট : ০১ নভেম্বর ২০২১, ১৭:৩৬

নারায়ণগঞ্জে নির্বাচনী আমেজ ধীরে ধীরে সংঘাতে রূপ নিতে শুরু করেছে। প্রতিদিনই নির্বাচনী সহিংসতায় প্রার্থী ও তাদের অনুসারীরা হামলার শিকার হচ্ছেন। এছাড়াও নির্বাচনকে সামনে রেখে অবৈধ অস্ত্র ব্যবহার করা হচ্ছে। আর এসকল অস্ত্র নির্বাচনের আগেই মজুত করে রাখা হয়েছিল যা প্রভাব বিস্তারে এখন প্রদর্শন করা হচ্ছে। 

এদিকে, নির্বাচনী সহিংসতার কারণে নারায়ণগঞ্জের আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি চরম অবনতির দিকে যাচ্ছে। যদিও নির্বাচন ইস্যুতে সহিংসতা বিষয়ে কড়া হুশিয়ারি দিয়েছিলেন জেলা পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম। কিন্তু প্রতিনিয়তই জেলার বিভিন্ন এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে। যদিও ঘটনার পর পরই মামলা হচ্ছে। তবে মামলা হওয়া মানেই সমাধান নয় বলে মনে করছেন সচেতন মহল। তাদের মতে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের আরও তৎপর হতে হবে। পাশাপাশি নির্বাচনী এলাকাগুলোতে পুলিশ টহল বাড়াতে হবে। 

মূলত প্রতীক বরাদ্দের পর পরই নির্বাচনী সহিংসতা বাড়তে শুরু করে। মাত্র চারদিনে অসংখ্য সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এবার নির্বাচনী সহিংসতার শুরুটা হয়েছিল সদর উপজেলার আলীরটেক ইউনিয়নে। আর সে ঘটনায় সদর থানার ওসির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠার পর জেলা জুড়ে নির্বাচনী সহিংসতা বেড়েছে। আলীরটেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হামলার শিকার হলেও উল্টো তার বিরুদ্ধে মামলা হওয়ার পরই পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠে। 

জানা গেছে, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে নারায়ণগঞ্জে নির্বাচনী সহিংসতা ততই বাড়ছে। প্রতিদিনই কোন না কোন এলাকায় নির্বাচনী সহিংসতার খবর পাওয়া যাচ্ছে। আগামী ১১ নভেম্বর দ্বিতীয় ধাপে নারায়ণগঞ্জের ১৬টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন সামনে রেখে একের পর এক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে। যদিও পাঁচটি ইউনিয়নে ইতিমধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছে। 

 

ইত্তেফাক/এসআই