ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার অনাপত্তিপত্র পেলো ‘বেস্ট এইড’

আপডেট : ০৪ নভেম্বর ২০২১, ০১:৪৬

বাংলাদেশের প্রথমবারের মত টেলিমেডিসিন কোম্পানি হিসেবে ভাসানচরে কাজ করার অনাপত্তিপত্র দেওয়া হলো বেস্ট এইড স্টার্টআপকে। বুধবার (৩ নভেম্বর)  ত্রাণ ও শরণার্থী প্রত্যাবাসন কমিশনার শাহ রেজওয়ান হায়াত (অতিরিক্ত সচিব) এই অনাপত্তিপত্র আইসিটি ডিভিশনের সিনিয়র সহকারী সচিব জনাব মরিয়ম জাহান বরাবর প্রেরণ করেন। এতে করে প্রথম বারের মত কোন টেলিমেডিসিন স্টার্টআপ আইসিটি ডিভিশনের আইডিয়া প্রকল্পের সরাসরি তত্ত্বাবধানে ভাসানচরে কাজ করার সুযোগ পাচ্ছে।

বেস্ট এইড বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন 'উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন একাডেমী প্রতিষ্ঠাকরণ' শীর্ষক প্রকল্প কর্তৃক পরিচালিত টেলিমেডিসিন সেবা প্রদানকারী একটি স্টার্টআপ কোম্পানি। বিগত দুই বছর ধরে বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলসমূহে ডিজিটাল স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতকরণে বেস্ট এইড কার্যকরী ভূমিকা রাখছে।

কোভিড ১৯ মহামারিতে বেস্ট এইড তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের ডিজিটাল স্বাস্থ্য সেবা কার্যক্রমে অনন্য ভূমিকা ও সফলতার স্বাক্ষর রেখেছে। তার ধারাবাহিকতায় বেস্ট এইড ভাসানচরে স্থানান্তরিত মায়ানমারের সুবিধা ও অধিকার বঞ্চিত মানুষের ২৪ ঘণ্টা স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতকরণে কাজ করবে।

বেস্ট এইডের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মীর হাসিব মাহমুদ বলেন, ভাসানচরে চিকিৎসা ব্যবস্থার অপ্রতুলতার দরুন এখানে নিরবচ্ছিন্ন চিকিৎসা ব্যবস্থায় বেস্ট এইড নিরলসভাবে কাজ করে যাবে এবং এ কাজের মাধ্যমে বাংলাদেশে টেলিমেডিসিন কার্যক্রমে বেস্ট এইড একটি অনন্য উদাহরণ ও দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে বলে আমি মনে করি।

উল্লেখ্য, গত ৯ অক্টোবর জাতিসংঘের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে। কক্সবাজারের মতো ভাসানচরেও বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের (রোহিঙ্গা) মানবিক সহায়তা দেবে জাতিসংঘ। সচিবালয়ে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোহসীন ও বাংলাদেশে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর-এর প্রতিনিধি ইয়োহানেস ভন ডার ক্লাও চুক্তিতে সই করেন।