চীনের নেতারা সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য বোঝেন না: দালাইলামা

আপডেট : ১১ নভেম্বর ২০২১, ০৪:৩৯

ধর্মই শান্তির বার্তা দেয়। সমস্যা রাজনীতিকদের। বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বড় সংকট হলো ধর্মকেও রাজনীতি হিসেবে ব্যবহার করা। চীনের রাজনৈতিক নেতারা এখন এমনটাই করছেন। চীনের নেতারা দেশটিতে ‘বিভিন্ন সংস্কৃতির বৈচিত্র্য বোঝে না’। সেখানে তাদের প্রধান জাতিগোষ্ঠী হান জাতির নিয়ন্ত্রণ খুব বেশি।

বুধবার (১০ নভেম্বর) জাপানের রাজধানী টোকিও থেকে সম্প্রচারিত এক ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনে এমন মন্তব্য করেছেন তিব্বতের নির্বাসিত ধর্মগুরু দালাইলামা। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স।

ভারত থেকে অনলাইনে টোকিওর ওই সংবাদ সম্মেলনে যুক্ত হন ৮৬ বছরের এই ধর্মগুরু। সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘চীনা ভাই-বোনদের’ প্রতি তার কোনও বিদ্বেষ নেই। একজন মানুষ হিসেবে তিনি বরং কমিউনিস্ট ও মার্কসবাদীদের চিন্তাভাবনা ভীষণভাবে সমর্থন করেন।

এই ধর্মগুরু বলেন, ‘আমি মাও সেতুং-এর সময় থেকেই কমিউনিস্ট পার্টির নেতাদের চিনি। তাদের ধারণাগুলো ভালো। কিন্তু কখনও কখনও তারা অনেক চরম, কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে।’

তিব্বত এবং উইঘুর মুসলিম অধ্যুষিত জিনজিয়াং সম্পর্কে তিনি বলেন, এই অঞ্চলগুলোর স্বতন্ত্র সংস্কৃতি রয়েছে। কিন্তু চীনের সংকীর্ণ কমিউনিস্ট নেতারা বিভিন্ন সংস্কৃতির বৈচিত্র্য বোঝেন না।

১৯৫০ সালে তিব্বত অধিগ্রহণ করে চীন। তারপর ১৯৫৯ সালে ভারতে পালিয়ে আসেন দলাইলামা। তারপর থেকে ভারতেই অবস্থান করছেন তিনি। বেইজিংয়ের কট্টর কমিউনিস্ট নেতাদের কঠোর সমালোচনা করেন তিনি। চীনা জনজীবনে কমিউনিস্ট নেতাদের অত্যধিক নিয়ন্ত্রণ নিয়েও সরব হন বয়স্ক এই ধর্মীয় নেতা।

ইত্তেফাক/ইআ