পিরিয়ডের সময় নারীর ভেতরে ভাংচুরের সময়। নবীন সতেজ প্রাণের স্ফুরণের প্রস্তুতির সময় পিরিয়ড। পিরিয়ডের সময় মেনস্ট্রুয়াল সাইকেলের মাধ্যমে বিষয়টি বোঝা সম্ভব হয়। মূলত দেহের ভেতর উর্বর ডিম্বাশয়ের প্রস্তুতির সময় এটি। এই মেনস্ট্রুয়াল সাইকেল প্রায় ২৬-২৮ দিন স্থায়ী হয়। এজন্যেই একে অনেকে মাসিক বলেন। অনেক সময় মাসিক এর সময় ৩৪ দিন পর্যন্ত স্থায়ী হয়। মেনস্ট্রুয়াল সাইকেলের স্বাভাবিক সময়তালিকা একটু ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন।
প্রথম দিন
পিরিয়ডের প্রথম দিন থেকেই রজঃচক্র শুরু হয়। এন্ডোমেট্রিয়ামের আশেপাশে থাকা টিস্যুগুলো ভাঙতে শুরু করে। পরবর্তীতে দেই টিস্যুগুলো জরায়ুমুখ দিয়ে বের হতে শুরু করে৷ ফলে জরায়ুমুখ দিয়ে অনুর্বর ডিম্বাশয়ের ডিম্বাণু বের হতে শুরু করে রক্তের সাথে। আর এই ভাঙাগড়া ৪-৬ দিন ধরে চলে৷
পঞ্চম দিন
রক্তপাত বন্ধ হওয়ার সাথে সাথেই ইস্ট্রোজেনের মাত্রা বাড়তে শুরু করে। এতে ইউটেরাসের পৃষ্ঠতল পুরু হতে শুরু করে। এসময় ডিম্বাশয়ের ভেতর ডিম্বাণু সুগঠিত হতে শুরু করে।
নিষেক এর সময়
ঋতুচক্রের ১২-১৪ দিনের দিন নিষেকের সময়৷ এই সময় বা তার সামনের ৩-৫ দিনে যৌনমিলনে গর্ভধারণের সম্ভাবনা থাকে। যদি নিষেকায়ন ঠিকঠাক না হয় তাহলে আবার ঋতুচক্র শুরু হয়।
কিভাবে বুঝবেন আপনি গর্ভবতী এবং এ সময় ঋতুচক্র:
- কোনো মাসে পিরিয়ড না হলে ধারণা করতে পারেন আপনি গর্ভবতী।
- গর্ভধারণের ৬-১২ দিন পরেই ইউটারিনের দেয়াল থেকে হালকা রক্তপাত হতে শুরু করে। একে বলা হয় স্পটিং।
- আপনার স্তনের মধ্যে পরিবর্তন আসতে শুরু করবে। স্তনের বৃন্ত কিছুটা ফুলে যাবে এবং ভারি ভারি লাগবে।
