অবশেষে বদলে গেলো সেই সাঁকো

আপডেট : ১৪ নভেম্বর ২০২১, ১৯:০১

অবশেষে বদলে যাচ্ছে ফুলবাড়ীর নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের বারোমাসিয়া নদীর ওপর তৈরি সেই বাঁশের সাঁকো। গত ১২ নভেম্বর ইত্তেফাক অনলাইনে প্রকাশিত ‘হামাগুড়ি দিয়ে পার হতে হয় যে সাঁকো’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর সাঁকোটি মেরামতের উদ্যোগ নেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুমন দাস ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সবুজ কুমার গুপ্ত। তাদের যৌথ উদ্যোগে স্থানীয়দের সহায়তায় সাঁকোটি মেরামতের কাজও শুরু হয়েছে। 

রবিবার (১৪ নভেম্বর) বিকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সাঁকোর মেরামত কাজ পরিদর্শন করেন। পরে স্থানীয়দের  সঙ্গে অনুষ্ঠিত আলোচনাসভায় পূর্ণাঙ্গভাবে নতুন সাঁকো তৈরির প্রতিশ্রুতি দেন তারা।  

স্থানীয়রা জানান, উপজেলার বারোমাসিয়া বা বাণিদহ নদীটি ধরলা নদীর একটি উপশাখা নদী। যা সরাসরি ভারত থেকে প্রবেশ করে উপজেলার মূল ধরলা নদীতে মিশে গেছে। ধরলা নদী ও বারোমাসিয়া নদীর পানির রঙ সম্পূর্ণ আলাদা। ফলে বারোমাসিয়া নদীটি আলাদা বৈশিষ্ট্য বহন করছে। নদীটি ভারতের কোচবিহার জেলার দিনহাটা থানার সীমান্তবর্তী মরাকুটি গ্রাম দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের গোড়কমণ্ডপ গ্রাম দিয়ে। স্থানীয়ভাবে এটিকে বাণিদহ বা বারোমাসিয়া নদী বলা হয়ে থাকে। এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৫ কিলোমিটার। এই উপশাখা নদীর ওপর দুটি বাঁশের সাঁকো রয়েছে। একটি প্রতি বছরে নির্মাণ করা হলেও করিমে ঘাটের সাকোটি বন্যায় ভেঙে পড়ায় শোচনীয় অবস্থা হয়েছে। সাকোটির দৈর্ঘ্য প্রায় ১২০ ফুট। প্রতিদিন প্রায় ১০ থেকে ১২ হাজার মানুষ পারাপার করে। আমরা এখানে একটি স্থায়ী ব্রিজ চাই।

এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন, ‘হামাগুড়ি দিয়ে পার হতে হয় যে সাঁকো’ শিরোনামে সংবাদটি আমাদের নজরে আসে। আমরা সঙ্গে সঙ্গে মেরামতের উদ্যোগ নিয়েছি। ইতোমধ্যে জনদুর্ভোগ বন্ধে সাঁকোটি মেরামতের কাজ সম্পন্ন করেছি। সামনে বরাদ্দ পেলে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ 

ইত্তেফাক/এনই