জমি লিখে না দেওয়ায় বাবার হাতের আঙুল কাটার অভিযোগ ছেলের বিরুদ্ধে

আপডেট : ২৩ নভেম্বর ২০২১, ১৯:০২

জমি লিখে না দেওয়ায় সন্তানের ছেলের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে বাবা শহীদুল হকের (৭১) বাম হাতের আঙ্গুল কেটে গেছে। আজ মঙ্গলবার (২৩ নভেম্বর) সকালে মাগুরা সদর উপজেলার উথলি গ্রামে ঘটা এ ঘটনার পর থেকে ছেলে হানিফ মিয়া পলাতক রয়েছে।

আহত শহিদুল হকের বড় ছেলে গোলাম মোস্তফা ও অন্যান্য আত্মীয়রা জানান, আহত বৃদ্ধ শহীদুল হকের ছোট ছেলে হানিফ মিয়া বিয়ের পর থেকেই স্ত্রীকে নিয়ে পৃথক হয়ে যায়। বাবা শহীদুল হক থাকেন বড় ছেলে গোলাম মোস্তফার সংসারে। সংসার আলাদা হয়ে যাওয়ায় মাঝে মাঝেই কিছু জমি লিখে দেওয়ার জন্য বাবাকে চাপ প্রয়োগ করে আসছিলেন ছোট ছেলে হানিফ। কিন্তু আচার-আচরণ ভালো না হওয়ার কারণে বাবা তাকে কোনো সম্পত্তি লিখে দেননি। এ কারণেই বাবার উপর ক্ষুব্ধ ছিলেন হানিফ। এ নিয়ে বাবা-ছেলের মধ্যে প্রায়ই বিবাদ  হতো।

আজ সকালে বাবা শহিদুল হক গ্রামের একটি চায়ের দোকানে বসে থাকার সময় পুত্র হানিফ ছুরি দিয়ে বাবা শহীদুলকে উপর্যুপরি আঘাত করে। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তার বাম হাতের কব্জি থেকে ৪টি আঙ্গুল কেটে পড়ে যায়। এছাড়াও মাথায় গুরুতর আহত হন তিনি। এই সময় উপস্থিতদের চিৎকারে হানিফ পালিয়ে যায়। গ্রামবাসীরা শহীদুল হককে উদ্ধার করে মাগুরা ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। 

মাগুরা হাসপাতালরে চিকিৎসক ডা. শফিউর রহমান জানান, ধারালো অস্ত্রের আঘাতে হাতের কব্জি থেকে আঙ্গুল কেটে পড়ে গেছে। এছাড়া মাথা থেকে ঘাড় বরাবর ধারালো ছুরির আঘাত রয়েছে। রোগীর অবস্থা এখনো আশঙ্কাজনক।

মাগুরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মঞ্জুর আলম জানান, গুরুতর আহত শহীদুল হকের হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে। ছেলে হানিফ মিয়াকে আটকে অভিযান চলছে।

 

ইত্তেফাক/জেডএইচডি