দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথম শনাক্ত হওয়া করোনার নতুন ‘ওমিক্রন’ ভ্যারিয়েন্ট ঘিরে বিশ্বজুড়ে প্রচণ্ড হইচই শুরু হয়েছে। করোনার এই নতুন ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে আফ্রিকার ৭টি দেশ থেকে যাত্রীদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে মালদ্বীপ। রবিবার (২৮ নভেম্বর) থেকে নতুন এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হচ্ছে। করোনার নতুন ধরন ওমিক্রন শনাক্ত হওয়ার পর এমন পদক্ষেপ নিলো মালদ্বীপ সরকার।
এক বিবৃতিতে মালদ্বীপের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দক্ষিণ আফ্রিকা, বতসোয়ানা, জিম্বাবুয়ে, মোজাম্বিক, নামিবিয়া, লেসোথো এবং এসওয়াতিনির ভ্রমণকারীদের মালদ্বীপে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না। এছাড়া এই দেশগুলোতে থেকে গত দুই দিনে মালদ্বীপে পৌঁছানো ব্যক্তিদেরও ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (২৬ নভেম্বর) বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা দক্ষিণ আফ্রিকায় শনাক্ত করোনার নতুন প্রজাতিকে ‘উদ্বেগজনক ভ্যারিয়েন্ট’ হিসেবে ঘোষণা দেয়। সংস্থাটি বলেছে, করোনার নতুন ধরনটির স্পাইক প্রোটিনে ৩২ বার রূপ বদল ঘটেছে। সাধারণত ভাইরাসের এ ধরনের বারবার রূপ বদল সেটিকে আরও বেশি সংক্রামক এবং বিপজ্জনক করে তোলে।
অস্ট্রেলিয়ায়ও মিলেছে ওমিক্রনে আক্রান্ত রোগী। দক্ষিণ আফ্রিকায় শনাক্ত নতুন ধরনের এই ভাইরাসে দু’জন আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছে ক্যানবেরা। দুই দিন আগেই আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চলীয় ৯টি দেশের ফ্লাইটের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে অস্ট্রেলিয়া। করোনার নতুন ধরণ ‘ওমিক্রন’ ছটিয়ে পড়ারা আশঙ্কায় এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি।
অস্ট্রেলিয়ার স্বাস্থ্য অধিদফতর জানানো, করোনার ওমিক্রন ভেরিয়েন্টে আক্রান্ত দু’জন রোগীর সন্ধান পেয়েছেন তারা। ওই দু’জন ব্যক্তি আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চল থেকে একটি বিমানে সিডনি পৌঁছান। পরে করোনা পরীক্ষায় তাদের শরীরে ওমিক্রন ভেরিয়েন্ট শনাক্ত হয়।
ইত্তেফাক/এএইচপি
