সোমবার, ২৪ জানুয়ারি ২০২২, ১০ মাঘ ১৪২৮
দৈনিক ইত্তেফাক

চলন্ত গাড়ি থেকে মানুষ ফেলে হত্যার শেষ কোথায়

আপডেট : ০১ ডিসেম্বর ২০২১, ১৮:৫৫

দিন দিন ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে দেশের পরিবহন খাত। নিরাপত্তা বিশ্লেষক, ভুক্তভোগীরা বলছেন, দেশের কোথাও না কোথাও প্রতিদিন সড়ক দুর্ঘটনা ঘটছে আর প্রাণ ঝরছে। বিস্ময়কর হলেও সত্যি, পরিবহন খাতের ওপর যেন কারও কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই।  তাদের অভিযোগ, পরিবহন শ্রমিকরা চাইলেই যে কেউকে চলন্ত বাস ফেলে মানুষ হত্যা করতে পারেন। তাদের কোনো আইন মানতে হয় না, নিয়ম মানতে হয় না, জনগণের কথা ভাবতে হয় না। তারা নিজেদের স্বার্থের কথাটাই ভাবেন শুধু।

ঘটনা-১: সময় ৩ এপ্রিল, ২০১৮। দেশের আলোচিত ঘটনা ছিল দুই বাসের রেষারেষিতে হাত হারানো রাজীব। বাংলামোটর থেকে ফার্মগেটমুখী বিআরটিসির একটি দোতলা বাসে ছিলেন রাজীব হোসেন। বাসটি সার্ক ফোয়ারার কাছে পান্থকুঞ্জের পাশে সিগন্যালে এসে থামে। এ সময় একই দিক থেকে আসা স্বজন পরিবহনের একটি বাস দ্রুতগতিতে দোতলা বাসের পাশের পাশ দিয়ে সামনে যাওয়ার চেষ্টা করে। এতেই চাপা পড়ে রাজিবের ডান হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে দোতলা বাসের সঙ্গে ঝুলতে থাকে। পরে ২০১৮ সালের ১৭ এপ্রিল দিবাগত রাত ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মারা যান রাজীব হোসেন।

দুই বাসের রেষারেষিতে রাজীবের ছিঁড়ে যাওয়া হাত

ঘটনা-২: সময় ২১ জুলাই, ২০১৮। হ‌ানিফ প‌রিবহ‌নে নর্থ সাউথ শিক্ষার্থী পা‌য়েল হত্যা। চট্টগ্রাম থেকে হানিফ পরিবহনের ভলভো বাসে করে ঢাকায় রওনা দেন পায়েল। পরদিন ২২ জুলাই ভোরে তিনি রাস্তায় বাস থেকে প্রস্রাব করতে নামেন। বাসে ওঠার সময় দরজার সঙ্গে ধাক্কা লেগে আহত হন পায়েল। ‘দায় এড়াতে’ চালক, সহকারী ও সুপারভাইজার মিলে আহত পায়েলের মুখ থেঁতলে দিয়ে নদীতে ফেলে দেন। পরে আদালতে তারা দোষী প্রমাণিত হলে হানিফ পরিবহণের বাসচালক জামাল হোসেন, সুপারভাইজার জনি ও সহকারী ফয়সাল হোসেনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন আদালত।

 হ‌ানিফ প‌রিবহ‌নে নর্থ সাউথ শিক্ষার্থী পা‌য়েল হত্যা

ঘটনা-৩: সময় ২৯ জুলাই, ২০১৮। বাসচাপায় রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুই শিক্ষার্থী নিহত হয়। দুপুর সাড়ে ১২টায় রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের অদূরে বিমানবন্দর সড়কে (র‌্যাডিসন হোটেলের উল্টো দিকে) ছুটি শেষে বাসে ওঠার জন্য কলেজটির বেশ কিছু শিক্ষার্থী র‌্যাডিসন হোটেলের উল্টো পাশে সিএমএইচ স্টপেজে অপেক্ষা করছিলেন। এই সময় কালশী ফ্লাইওভার দিয়ে মিরপুর থেকে উত্তরাগামী একটি বাস ওই স্টপেজে এলে শিক্ষার্থীরা উঠতে থাকেন।  ঠিক সেই সময় যাত্রী তোলার প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়ে একই রুটের জাবালে নূরের একটি বাস  দ্রুতগতিতে ঢুকে পড়ে এবং দাঁড়ানো শিক্ষার্থীদের ওপর উঠে পড়ে। বাসটির চাপায় ঘটনাস্থলেই কলেজ শিক্ষার্থী দিয়া আক্তার মিম ও আব্দুল করিম নিহত হন। এই ঘটনায় গুরুতর আহত হন আরও কয়েকজন। পথচারীরা সঙ্গে সঙ্গে আহতদের নিকটস্থ  সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল ও কুর্মিটোলা হাসপাতালে নিয়ে যান। এ ঘটনায়  রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুই শিক্ষার্থী দিয়া আক্তার মিম ও আব্দুল করিম নিহত হয়।

বাসচাপায় প্রাণ হারানো রমিজ উদ্দিন কলেজের দুই শিক্ষার্থী

এ ঘটনার পরপরই নিরাপদ সড়ক আন্দোলন বাংলাদেশে কার্যকর সড়ক নিরাপত্তার দাবিতে ২৯ জুলাই থেকে ৮ আগস্ট ২০১৮ পর্যন্ত সংঘটিত একটি আন্দোলন বা গণবিক্ষোভ। পরবর্তী সময়ে সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে। নৌমন্ত্রীর পদত্যাগসহ ৯ দফা দাবিতে শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নেমে আসে।

ঘটনা-৪: সময় ৮ নভেম্বর, ২০১৮। আশুলিয়ায় একটি চলন্ত বাস থেকে বাবাকে ফেলে দিয়ে মেয়েকে অপহরণের পর হত্যার অভিযোগ ওঠে ড্রাইভার ও তার হেলপারের বিরুদ্ধে। হত্যার পর ওই মেয়ের লাশ মহাসড়কের পাশেই ফেলে রেখে পালিয়ে যায় তারা। পরে শুক্রবার (৯ নভেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ আব্দুল্লাপুর-বাইপাইল মহাসড়কের মরাগাং এলাকা থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহতের নাম জরিনা খাতুন (৪৫)।  

সেই ঘটনাস্থল

ঘটনা-৫: ১৯ মার্চ, ২০১৯। রাজধানীর বসুন্ধরা গেটে বাসের চাপায় আবরার আহমেদ চৌধুরী নিহত হন। সকাল সোয়া ৭টার দিকে শিক্ষার্থীদের বহনকারী বিইউপির একটি বাস প্রগতি সরণিতে দাঁড়িয়েছিল। ওই বাসেই বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার কথা ছিল আবরারের। বাসে ওঠার জন্য নিয়ম মেনেই জেব্রাক্রসিং দিয়ে রাস্তা পার হচ্ছিলেন তিনি। ওই সময় পাল্লাপাল্লি করে আসা সুপ্রভাত পরিবহণের দুই বাসের মধ্যে চাপা পড়েন আবরার। গুরুতর আহত আবরারকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) নেওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

রাজধানীর বসুন্ধরা গেটে বাসের চাপায় নিহত আবরার আহমেদ চৌধুরী

ঘটনা-৬: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০। এক টাকা ফেরত চাওয়ায় চলন্ত বাস থেকে যাত্রীকে লাথি মেরে ফেলে হত্যা করে হেলপার। শুক্রবার রাতে জিইসির মোড়ে ১০ নম্বর রুটের একটি বাসে যাত্রী জসিম উদ্দিনের সঙ্গে ভাড়া নিয়ে বাকবিতণ্ডা হয় বাসের হেলপার আরিফের। এক পর্যায়ে হেলপার আরিফ যাত্রী জসিমকে চলন্ত বাস থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়। এতে গুরুতর আহত হন জসিম উদ্দিন। আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে পার্কভিউ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাত তিনটার দিকে মারা যান জসিম উদ্দিন।

ঘটনা-৭: ৯ নভেম্বর ২০২১। চলন্ত বাস (রাইদা) থেকে ফেলে শিশু মরিয়মকে হত্যা করা হয়। র‌্যাবের সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, চালক রাজু মিয়া ও হেলপার ইমরান হোসেন প্রতিদিনের মতোই রাইদা পরিবহনের একটি বাস নিয়ে পোস্তগোলা থেকে দিয়াবাড়ির উদ্দেশে রওনা হয়। বাসটি যমুনা ফিউচার পার্কের সামনে পৌঁছালে মরিয়ম বাস যাত্রীদের কাছে সাহায্য চাইতে গাড়িতে ওঠে। বাসটি চলতে শুরু করার পরপরই হেলপার ইমরান মেয়েটিকে গাড়ি থেকে নামিয়ে দিতে ড্রাইভার রাজুকে বাসের গতি কমাতে বলে। শিশুটিকে বাসের দরজার কাছে গিয়ে দাঁড়াতে বলে। এ সময় বাসের চালক রাজু কিছুদূর না যেতেই আবার থামতে বলায় বিরক্ত হয়ে গতি হালকা কমিয়ে মেয়েটিকে তাড়াতাড়ি নামতে বলে। তবে মরিয়ম নামার সময় চালক রাজু হঠাৎ করে গাড়ির গতি বাড়িয়ে দিলে সে বাসের দরজা থেকে ছিটকে রাস্তায় পড়ে প্রাণ হারায়।

রাইদা বাস থেকে ছুড়ে ফেলে হত্যার শিকার শিশু মরিয়ম

ঘটনা-৮: ২৪ নভেম্বর ২০২১। ডিএসসিসি ময়লার গাড়ির ধাক্কায় নটর ডেম কলেজের ছাত্র নাঈম হত্যা। সকাল ১১টা ২০ মিনিটে পল্টন মডেল থানার গুলিস্তান বঙ্গবন্ধু স্কয়ার গোলচত্বরের দক্ষিণ পাশে নাঈম হাসান (১৮) রাস্তা পার হওয়ার সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে। ওই সময় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের একটি ট্রাক (রেজিস্ট্রেশন নম্বর ঢাকা মেট্রো-শ ১১-১২৪৪) বেপরোয়া গতিতে নাঈমকে ধাক্কা দেয়। এরপর নাঈমকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) নেওয়ার পর জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ডিএসসিসি ময়লার গাড়ির ধাক্কায় নিহত নটর ডেম কলেজের ছাত্র নাঈম

ঘটনা-৯: ২৫ নভেম্বর ২০২১। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ময়লার গাড়ির ধাক্কায় সংবাদকর্মী নিহত। সোনারগাঁ মোড় থেকে পান্থপথে যাওয়ার রাস্তার সিগন্যালে অপেক্ষা করছিলেন মোটরসাইকেলের পিছনের আসনে বসা আরোহী আহসান কবির খান। এ সময় অন্যান্য গাড়ির সঙ্গে ডিএনসিসির একটি ময়লাবাহী ডাম্প ট্রাক (পরীক্ষাধীন নম্বর: ৫১২৮) সেখানে অপেক্ষা করছিল। সিগন্যাল ছাড়া মাত্রই আহসান কবির খাঁনের মোটরসাইকেল ধাক্কা খেলে তিনি মাটিতে ছিটকে পড়েন। ময়লাবাহী গাড়ির চালক গাড়িটি না থামিয়ে তার ওপর দিয়ে চালিয়ে চলে যায়। এ সময় অন্যান্য মোটরসাইকেল চালক এবং স্থানীয় লোকজন গাড়িটিকে ধাওয়া দিলে ময়লাবাহী ডাম্প ট্রাকটি গ্রিনরোড সিগন্যাল পর্যন্ত গিয়ে চালক এবং তার সহকারী গাড়িটি রেখে পালিয়ে যায়। উপস্থিত পথচারীরা আহসান কবিরকে ঘটনাস্থল হতে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ডিএসসিসি ময়লার গাড়ির ধাক্কায় নিহত সংবাদকর্মী আহসান কবির খান

ঘটনা-১০: ২৯ নভেম্বর ২০২১। রামপুরা তুরাগ বাসের চাপায় শিক্ষার্থী মাঈনুদ্দিন ইসলাম নিহত হন। সোমবার রাত পৌনে ১১টার দিকে রামপুরা বাজার এলাকায় ওই ছাত্রের সঙ্গে গ্রিন অনাবিল পরিবহনের বাস ভাড়া নিয়ে তর্কে জড়িয়ে পড়ে বাসের হেলপার। পরে তাকে ধাক্কায় দিলে রাস্তায় পড়ে যান এই শিক্ষার্থী। এরপর চলন্ত বাস তার মাথার ওপর দিয়ে চালিয়ে দেয় ড্রাইভার। এতে ঘটনা স্থলেই তিনি মারা যান। এ ঘটনায় উত্তেজিত ছাত্র-জনতা বেশ কিছু বাসে আগুন দেন। এছাড়া পরদিনও সড়ক অবরোধ করে।

রামপুরা তুরাগ বাসের চাপায় নিহত শিক্ষার্থী মাঈনুদ্দিন ইসলাম

বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী ইত্তেফাক অনলাইনকে বলেন, ‘চারদিকে সড়কে দুর্ঘটনা ঘটছে। সড়ক নিরাপদ না হলেও দুর্ঘটনা ও হত্যাও থামবে না। সরকার পরিবহণ মালিক-শ্রমিকদের  ছাড় দিয়েই যাচ্ছে। এর ফলে তারা দিন দিন ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে। কিন্তু এভাবে আর কতদিন? সামনে হয়তো পরিবহণ মালিক-শ্রমিদের বিরুদ্ধে মুখোমুখি হবে ছাত্র-জনতা। শুধু পরিবহন শ্রমিকদের শাস্তির আওতায় আনলে হবে না, পরিবহন মালিকেদেররও শাস্তির আওতায় আনতে হবে।’

বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী

সড়কের নিরাপত্তা বিষয়ে জানতে চাইলে ইত্তেফাক অনলাইনকে যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক সামসুল আলম বলেন, ‘একই মালিকের বিপুল সংখ্যক গাড়ি একই লাইনে  চলতে দেওয়া যাবে না। সবাইকে সুনির্দিষ্ট শৃঙ্খলা মানতে হবে। এজন্য সংশ্লিষ্ট খাতকে আরও মনোযোগী  হতে হবে। সেটি অল্প সময়ের জন্য নয়। প্রতিদিন রুটিন কাজ থাকবে। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা থাকবে। তাহলে সড়কে দুর্ঘটনা কমানো সম্ভব।’

নিরাপদ সড়ক চাইয়ের (নিসচা) চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন

পরিবহন মালিক শ্রমিকদের নিষ্ঠুরতা বিষয়ে জানতে চাইলে নিরাপদ সড়ক চাইয়ের (নিসচা) চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন ইত্তেফাক অনলাইনকে বলেন, ‘সরকার সবসময় পরিবহণ খাতকে প্রশ্রয় দিয়েই যাচ্ছে। পরিবহণ মালিক-শ্রমিকরা মনে করে, তারা যতই অপরাধ করুক, কিছু হবে না। তাই তারা চাইলে যেকোনো সময় সারাদেশে গণপরিহন বন্ধ করে দিতে পারে। তাদের কাছে সবাই জিম্মি। তাই অপরাধ করেই যাচ্ছে। সড়কে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে সড়ক আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করার বিকল্প নেই।’

রাস্তা বন্ধ করে আন্দোলন করছে ছাত্ররা

নিসচা’র প্রচার সম্পাদক ও গণমাধ্যমকর্মী ওবায়েদুর রহমান বলেন, ‘রামপুরায় ছাত্র নিহতের ঘটনা এদেশে নতুন কিছু না। পরিবহন শ্রমিকরা সারাদেশে ট্রিপের আওতায় চলে। পরিবহন শ্রমিকরা সারাদিন যা আয় করে, তা থেকে চাঁদা দিয়ে ও মালিকদের ট্রিপের টাকা দিয়ে দিন শেষে তাদের কিছুই থাকে না বলা যায়। তাই তারা রাস্তায় রেষারেষি করে বাস চালায়। তাদের মাসিক বেতনের আওতায় আনতে পারলে এমনটা হতো না।’ তিনি আরও বলেন, ‘পাঠ্যবইয়ে পরিবহণ খাতের নিয়মাবলি অন্তর্ভুক্ত করলে ছোটবেলা থেকেই মানুষ সচেতন হতে পারতো।’ 

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শাজাহান খান

পরিবহন মালিক শ্রমিকদের নিষ্ঠুরতা প্রসঙ্গে  জানতে চাইলে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শাজাহান খান ইত্তেফাক অনলাইনকে বলেন,  ‘যেকোনো সড়ক দুর্ঘটনা খুব দুঃখজনক। কোন পরিপ্রেক্ষিতে এমন ঘটনা ঘটছে, তা খতিয়ে দেখতে হবে। দোষী প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি করছি।’

ইত্তেফাক/এনই

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

'অনুশীলন টাইগার লাইটনিং ৩'-এর পরিকল্পনাবিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত

অতিরিক্ত আইজিপি হচ্ছেন মনিরুলসহ ৭ কর্মকর্তা

সংসদের ১৬তম অধিবেশন আবারও বসছে কাল 

কাল থেকে ভার্চুয়ালিও চলবে সব অধস্তন আদালত 

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

র‍্যাব নিষিদ্ধে ১২ মানবাধিকার সংস্থার আবেদন খতিয়ে দেখবে জাতিসংঘ

স্বাস্থ্যবিধি না মানায় সংক্রমণে ঊর্ধ্বগতি

আসছে বৃষ্টি, চলছে শৈত্যপ্রবাহ