সোমবার, ২৪ জানুয়ারি ২০২২, ১০ মাঘ ১৪২৮
দৈনিক ইত্তেফাক

কাউন্সিলর হত্যা: প্রধান আসামি ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

আপডেট : ০২ ডিসেম্বর ২০২১, ০৯:৫৮

কুমিল্লায় কাউন্সিলর সৈয়দ মো. সোহেলসহ জোড়া খুনের মামলার প্রধান আসামি শাহ আলম পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন। এ সময় দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে একটি পিস্তল, গুলি ও গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার (১ ডিসেম্বর) রাত দেড়টার দিকে জেলার গোমতী নদীর আদর্শ সদর উপজেলার চাঁনপুর রত্নাবতী বেরিবাঁধ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। জেলা ডিবি পুলিশের এসআই পরিমল চন্দ্র দাস সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নিহত শাহ আলম নগরীর সুজানগর বউ বাজার এলাকার মৃত জানু মিয়ার ছেলে।

পুলিশ জানায়, কয়েকজন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী গোমতী নদীর ওই এলাকার বেরিবাঁধে অবস্থান করছে- এমন তথ্যের ভিত্তিতে থানা ও ডিবি পুলিশের পৃথক দল রাত ১টার দিকে সেখানে অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে সন্ত্রাসীরা গুলি চালায়। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। এ সময় দুই পক্ষের গোলাগুলিতে একজন সন্ত্রাসী গুলিবিদ্ধ হয়। অপর সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। আহত সন্ত্রাসীকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে পুলিশ নিশ্চিত হয় নিহত ব্যক্তির নাম শাহ আলম এবং তিনি কাউন্সিলর সোহেলসহ জোড়া খুনের মামলার প্রধান আসামি।

এর আগে গত মঙ্গলবার রাতে এই মামলার ৩ নম্বর আসামি সাব্বির ও ৫ নম্বর আসামি সাজন পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন। এ নিয়ে কাউন্সিলর হত্যা মামলার ১, ৩ ও ৫ নম্বর আসামির প্রাণ গেল ‘বন্দুকযুদ্ধে’।

এর আগে গত ২২ নভেম্বর প্রকাশ্য দিবালোকে কালো মুখোশ পরা সন্ত্রাসীরা এলোপাতাড়ি গুলি করে কাউন্সিলর সোহেল ও তা সহযোগী হরিপদ সাহাকে হত্যা করে। এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত ৫ জন কুমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

ইত্তেফাক/এমআর

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪

বঙ্গোপসাগরে গোলাগুলির পর বিদেশি মেশিনগানসহ ১২ লাখ ইয়াবা জব্দ 

২ পুলিশ নিহত: গাড়ি চালাচ্ছিলেন ইয়াবাসহ আটক আসামি

মাইক্রোবাস পুকুরে পড়ে প্রাণ গেল ২ এসআইয়ের

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

জয়পুরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় ১ জন নিহত 

ময়মনসিংহে ট্রাকচাপায় ৩ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

কচুয়ায় বাসের ধাক্কায় ট্রাকের ২ হেলপার নিহত

মৃত আত্মীয়কে দেখতে যাওয়া পথে লাশ হলেন একই পরিবারের ৪ জন