মুন্সীগঞ্জের চরমুক্তারপুরের একটি ভবনে বিস্ফোরণে অগ্নিদগ্ধ ভাই-বোনের পর এবার তাদের বাবা কাওসার খান মারা (৩৬) গেছেন। শনিবার (৪ ডিসেম্বর) সকালে শেখ হাসিনা বার্ন ইন্সটিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সদর থানার ওসি (তদন্ত) রাজিব খান।
মৃত কাওসার খান কিশোরগঞ্জ জেলা সদরের বাসিন্দা আব্দুস সালাম খানের পুত্র। তিনি প্রায় আট বছর ধরে মুন্সীগঞ্জের আবুল খায়ের গ্রুপে ওয়েল্ডার হিসাবে কর্মরত ছিলেন।
ওসি (তদন্ত) রাজিব খান জানান, গত বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে শহরের চর মুক্তারপুরের শাহ সিমেন্ট রোডে জয়নাল মিয়ার চারতলা ভবনের দ্বিতীয় তলার তিনটি কক্ষে বিস্ফোরণে কাওসার, তার স্ত্রী শান্তা বেগম (২৭) , দুই সন্তান ইয়াসিন (৬) ও ফাতেমা ওরফে নোহর (৩) অগ্নিদগ্ধ হয়ে গুরুতর অবস্থায় শেখ হাসিনা বার্ন ইন্সটিটিউটে ভর্তি হন। সেদিন রাতেই অগ্নিদগ্ধ ইয়াসিন ও ফাতেমা মারা যান। পরে আজ শনিবার সকালে মারা যান তাদের পিতা অগ্নিদগ্ধ কাওসার।
ডাক্তারের বরাত দিয়ে তিনি আরও জানান, অগ্নিদগ্ধে মৃত ইয়াসিন ও ফাতেমা মা ও কাওসারের স্ত্রী শান্তা বেগম (২৭) এখনো শেখ হাসিনা বার্ন ইন্সটিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন। শান্তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক। তার শরীরের ৫৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। তার হার্টবিট কমে যাচ্ছে।
ওসি (তদন্ত) বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে গ্যাস লিকেজ হয়ে কক্ষে জমে থাকা গ্যাস থেকে এই হতাহতের ঘটনাটি ঘটেছে। তবে প্রকৃত কারণ উদঘাটনে সিআইডি পুলিশের সংশ্লিষ্ট একটি টিম কাজ করছে।
