বৃহস্পতিবার, ২০ জানুয়ারি ২০২২, ৫ মাঘ ১৪২৮
দৈনিক ইত্তেফাক

‘যুবলীগের আশ্রয় কর্মসূচির ৪র্থ ধাপ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী’

আপডেট : ০৪ ডিসেম্বর ২০২১, ২১:২৬

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যুবলীগের আশ্রয় কর্মসূচির ৪র্থ ধাপ উদ্বোধন করবেন বলে জানিয়েছেন যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ। শনিবার (৪ ডিসেম্বর) সকাল ১১টায় বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে 'শেখ ফজলুল হক মণি: সৃষ্টিশীল তারুণ্যের প্রতীক' শীর্ষক আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ শেখ ফজলুল হক মণির ৮৩ তম জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত এ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, এমপি। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল মান্নান চৌধুরী। সভাপতিত্ব করেন যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ ও সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিল।

যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ বলেন, রাজনীতি মানে অধিকারবঞ্চিতদের অধিকার আদায় করা। তাই আপনারা দেখেছেন যুবলীগ গত দুই বছর করোনা প্রাক্কালে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছে। প্রায় ৭৫ লাখ মানুষের কাছে প্রধানমন্ত্রীর খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিয়েছে, শীতবস্ত্র বিতরণ করে যাচ্ছে, টেলিমেডিসিন এর মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা ও বিনা মূল্যে অক্সিজেন সেবা প্রদান করা হচ্ছে এবং এবছর আমরা প্রধানমন্ত্রী গৃহহীনদের গৃহদান কর্মসূচির আদলে আশ্রায়ন কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছি। আগামী ৮ ডিসেম্বর ইনশাআল্লাহ এই কর্মসূচির ৩য় ধাপের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 

তিনি বলেন, আমার প্রিয় যুবলীগের ভাই ও বোনেরা আপনাদের নেতা, শেখ ফজলুল হক মণি আমার বাবা। বাবাকে আমরা খুব কম পেয়েছি। আমার বয়স যখন মাত্র ৫ বছর, তখন আমার বাবা, শেখ ফজলুল হক মণিকে ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্টে হত্যা করা হয়েছিল। বাবা আমাদের সঙ্গে খুবিই বন্ধুসুলভ ছিলেন। আমাদেরকে নিয়ে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যেতেন। স্বপ্নের মত ছিল দিনগুলি। বাবার যেই বিষয়টি আমাকে সবচেয়ে বেশি নাড়া দেয়, সেটা হল বাবার কর্ম ও বাবার মমত্ববোধ। তিনি আত্মকেন্দ্রিক রাজনীতিবিদ ছিলেন না, নেতা-কর্মীদের প্রতি ছিল তার অপরিসীম মমত্ববোধ ও দরদ। একজন কর্মী মারা যাওয়ায় আমি বাবাকে শিশুর মত কাঁদতে দেখেছি। বাবার কর্ম আজও বেঁচে আছে বাবার লাখো রাজনৈতিক অনুসারীদের মাঝে। বাবার প্রতি তাদের যে ভালবাসা আর সম্মানবোধ, সেটা আমাকে গভীরভাবে স্পর্শ করে।

তিনি আরও বলেন, শেখ মণি’র রাজনৈতিক পরিচয় আপনাদের জানা। শেখ মণি যুবলীগ প্রতিষ্ঠা করে যুবসমাজকে সংগঠিত করে বঙ্গবন্ধুর দেশ গড়ার কাজে নিয়জিত করেন। তিনি চেয়েছিলেন একটা সুখি, সমৃদ্ধ, ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র গঠন করতে। স্বল্প উন্নত রাষ্ট্র থেকে আজকে বঙ্গবন্ধু কন্যার নেতৃত্বে আমরা উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের কাতারে।এখন আমাদের চিহ্নিত করতে হবে আগামীর সংগ্রাম কি, প্রতিকূলতা কি। চিহ্নিত করতে হবে সেই সংগ্রামের ধরণ কি; প্রতিকূলতার বৈশিষ্ট্য কি। আমাদের সাফল্য অর্জন করতে হবে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে। কাকে ডিঙ্গাইয়া কোথায় উঠবো এই অসুস্থ প্রতিযোগিতা বন্ধ করতে হবে। যোগ্যতা আর দক্ষতা থাকলে কাউকে ডিঙ্গানোর প্রয়োজন হবে না। যোগ্যতাই সাফল্যের দরজায় পৌঁছে দিবে। কাউকে ঘুষ, বা তদবির করা দরকার পরবে না। কোন বড় ভাইয়েরও দরকার হবে না। কোথাও ধর্নাও দিতে হবে না। যে কোন উন্নত-সভ্য সমাজ সৃষ্টিতে ন্যায়-পরায়ণ সমাজ ব্যবস্থা পূর্বশর্তে। এটাই সুশাসন কায়েম করার অন্যতম পন্থা।

তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে আপনাদের কৃতিত্বে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ মানবিক যুবলীগে রূপান্তরিত হয়েছে। এখন আপনাদেরই হাত ধরে আগামীর যুবলীগ এদেশে মানবিক সমাজ ব্যবস্থা কায়েম করবে। যেই সমাজে আপনাদের মানবিকতাই প্রধান চালিকা শক্তি হিসাবে কাজ করবে এবং এই মানবিকতাই সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ হিসাবে বিবেচিত হবে। মানবিক সমাজ ব্যবস্থা কায়েম হলে অন্যায়, অবিচার থাকবে না এবং বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের শোষণমুক্ত সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হবে। বিজ্ঞান ও মেধা ভিত্তিক সমাজ ব্যবস্থা কায়েমের জন্য সর্বপ্রথমে দরকার যুক্তিনির্ভর পরিবেশ ও মন-মানসিকতা। চিন্তা-ভাবনায় বস্তুনিষ্ঠ ও নিরপেক্ষ হতে হবে।

যুবলীগ সভাপতি বলেন, আমি বিশ্বাস করি 'শেখ হাসিনার হাতেই বাংলাদেশ সবচেয়ে নিরাপদ, কারণ তিনি বঙ্গবন্ধুকন্যা। এদেশের প্রতি তাঁর সর্বাধিক দায়বদ্ধতা রয়েছে এবং আগামী নির্বাচনে শেখ হাসিনার সরকারের কোনো বিকল্প নাই।' এই মতামতে আমি বিশ্বাস করি কারণ আমি এই মতামত যুক্তি ও বস্তুনিষ্ঠ গবেষণা দিয়ে প্রমাণ করতে পারব। যুক্তিনির্ভর পরিবেশ সৃষ্টি হলে সাধারণ মানুষের উপর সমাজের প্রভাবশালী উচ্চশ্রেণির কর্তাদের কর্তৃত্ব কমে যাবে। কুসংস্কার থেকে মানুষ মুক্তি পাবে। সাম্প্রদায়িক শক্তি আর মাথা-চারা দিয়ে উঠতে পারবে না। আমাদের এই সম্প্রীতির বাংলাদেশে আর ধর্মীয় বিভেদ সৃষ্টি করতে পারবে না, ধর্মীয় দাঙ্গা সৃষ্টি করতে পারবে না। এভাবেই প্রগতির দিকে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ। 

বক্তব্যের শেষভাগে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠিত করতে, একটা আধুনিক, উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণ আমাদের লক্ষ্য। যেখানে অর্থনৈতিক বৈষম্য সঙ্কুচিত ও নিয়ন্ত্রিত থাকবে। সবার সমান অধিকার থাকবে, মানুষ মানুষে ভেদাভেদ কমে যাবে। বাঙালি শিল্প, সংস্কৃতি ও সাহিত্যের বিকাশ ঘটবে। একটা প্রকৃতপক্ষে প্রগতিশীল, ধর্মনিরপেক্ষ, মর্যাদাশীল, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ ২০২১ সালের মধ্যে সৃষ্টি করতে আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। যে বাংলাদেশ শিক্ষা-দীক্ষা ও জ্ঞান চর্চায় সারা বিশ্বে কার্যকরী ভূমিকা রাখবে। তাই আমার স্বপ্ন যুবলীগ প্রকৃতপক্ষে সুশৃঙ্খল একটা প্রগতিশীল জনদরদি সংগঠনে রূপান্তরিত হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বেগম মতিয়া চৌধুরী বলেন, মণি ভাইয়ের জন্মদিনে স্মরণসভা করবো এটা কখনও ভাবিনাই। জন্মদিন যেমন আনন্দের তেমনি জন্মদিনে স্মরণসভা অত্যন্ত বিয়োগান্তক বেদনা বিধুর। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৬ দফা শুধু প্রমাণ করেন নাই, তাকে শুধু বাস্তবায়িত করেন নাই, এটাকে সুপ্রতিষ্ঠিত করেছেন শেখ মণি ভাই। তিনি কারান্তরীণ হওয়ার আগে চারণের বেশে সারাদেশ ঘুরে ছয় দফাকে জনগণের অন্তরে গ্রথিত করেছেন। ছয় দফাকে কেন্দ্র করে মনি ভাই হরতাল পালন করেন। সেই হরতালকে সফল করেছেন নারায়ণগঞ্জের আদমজীর শ্রমিক ও তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের সমন্বয়ে, এই সমন্বয়ের মূল কারিগর ছিলেন মণি ভাই। মনি ভাইয়ের একটি সম্মোহনী গুণ ছিল। সেটা হলো যদি কোন শ্রোতা তার বক্তব্যের দ্বিমত পোষণ করতেন, সেই শ্রোতাকেও তার বক্তব্য দ্বারা তার দিকে টেনে নিতেন। এটা তিনি বঙ্গবন্ধুর কাছ থেকেই শিখে ছিলেন। মণি ভাইয়ের হাত আর কলম সমান তালে চলত, যা অন্য কারও নেতৃত্বের মাঝে দেখি নাই। অনেকে বক্তব্য করতে পারে কিন্তু ড্রাফট করতে পারে না, আবার অনেকে ড্রাফট করতে পারে কিন্তু বক্তব্য দিতে পারে না; মণি ভাই ড্রাফট ও বক্তব্য সমান তালে পারতেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় ক্যাম্পে ক্যাম্পে গিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের মনোবল দিতেন, ভারতে উপস্থিত শরণার্থীদের পাশে গিয়ে তাদেরকেও বিভিন্নভাবে সান্ত্বনা দিতেন। তিনি তরুণ সমাজকে, যুবসমাজকে স্বাধীনতার জন্য, যুদ্ধ করার জন্য উদ্বুদ্ধ করতেন।

তিনিই বলেছিলেন “বিপ্লবের পর প্রতি বিপ্লব আসবেই।” আমি বলব যুবলীগের সবাই যেন মণি ভাইয়ের এই লেখাটি সংগ্রহ করে এবং সকল জায়গায় ছড়িয়ে দেয়। জনগণের পক্ষে যেকোনো পরিবর্তন সেটাই হলো বিপ্লব। যেমন এটি এনেছিল ছয় দফা, এটি এনেছিল আমাদের স্বাধীনতা। তিনি যুবলীগের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে আরও বলেন-১৯৮১ সালের ১৭ মে শেখ হাসিনা তার পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য এদেশে এসেছিলেন, সেদিন যেমন এদেশের মানুষ বলেছিল ঝড়-বৃষ্টি আঁধার রাতে আমরা আছি তোমার সাথে। ঠিক তেমনি পরশ-তাপসও শেখ হাসিনার পাশে রয়েছে। শেখ হাসিনার উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে যুবলীগের প্রতিটি নেতা-কর্মীকে একই ভাবে বলতে হবে ঝড়-বৃষ্টি আঁধার রাতে যুবলীগ আছে শেখ হাসিনার সঙ্গে।

প্রধান আলোচকের বক্তব্যে প্রফেসর ড. আব্দুল মান্নান চৌধুরী যুবলীগের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন-আপনারা শুধু রাজনীতিবিদ তৈরি করবেন তা নয়, আপনারা নেতা তৈরি করবেন। সকল ক্ষেত্রে নেতার প্রয়োজন রয়েছে। আমরা যতদিন বেঁচে থাকবো ততদিন আপনাদের সাথে আছি। তিনি আরও বলেন-মণি ভাইয়ের জন্মদিনের আবহ তৈরি করা আমাদের জন্য অত্যন্ত কষ্টের, বেদনা বিধুর। শেখ ফজলুল হক মনি শুধু ব্যক্তি নয়, একজন প্রতিষ্ঠানও বটে। বঙ্গবন্ধুর পরে এদেশের বিখ্যাত নেতাদের মধ্যে শেখ মণি আবির্ভূত হতেন। নেত্রী শেখ হাসিনা আসতেন ক্রমান্বয়ে সেটাই আমাদের প্রত্যাশা ছিল। যে কোন কঠিন পরিস্থিতিতে আপনারা শেখ হাসিনার পাশে থাকবেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট এর পরে অনেকেই রাস্তায় ছিলেন না। কিন্তু আমরা ছিলাম।

সঞ্চালকের বক্তব্যে যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিল বলেন, আজ প্রোগ্রামে আসার সময় দেখলাম বিএনপি-ছাত্রদলের কুলাঙ্গাররা দেশের বিরুদ্ধে, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে স্লোগান দিচ্ছে। পরিষ্কার ভাষায় বলতে চাই ১৯৭৫ সালে ১৫ আগস্ট সপরিবারে বঙ্গবন্ধুসহ মণি ভাইকে যারা হত্যা করেছে, আরজু মণিকে যারা হত্যা করেছে, সেই জামাত-বিএনপির দোসররাই আজকে দেশের বিরুদ্ধে, নেত্রীর বিরুদ্ধে স্লোগান দিচ্ছে। এই হত্যাকারীরা আবার নতুন করে মাঠে আসতে চায়। যুবলীগের বন্ধুগণ, শেখ মণি’র আত্মাকে শান্তি দিতে হলে, বঙ্গবন্ধুর আত্মাকে শান্তি দিতে রাজপথে থেকে এই জামাত-শিবির কুচক্রীমহলকে দাঁতভাঙ্গা জবাব দিতে হবে। তাদেরকে বিতাড়িত করতে হবে। 

এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাড. মামুনুর রশীদ, মঞ্জুর আলম শাহীন, ডা. খালেদ শওকত আলী, শেখ ফজলে ফাহিম, মুজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন, মো. রফিকুল ইসলাম, মো. নবী নেওয়াজ, মো. এনামুল হক খান, ড. সাজ্জাদ হায়দার লিটন, মো. মোয়াজ্জেম হোসেন, সুভাষ চন্দ্র হাওলাদার, ইঞ্জি. মৃনাল কান্তি জোদ্দার, তাজ উদ্দিন আহমেদ, মো. জসিম মাতুব্বর, মো. আনোয়ার হোসেন, যুগ্ম-সাধারণ ম্পাদক বিশ্বাস মুতিউর রহমান বাদশা, সুব্রত পাল, মুহা. বদিউল আলম, ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নাঈম, মো. রফিকুল আলম জোয়ার্দার সৈকত, সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী মাজহারুল ইসলাম, ডা. হেলাল উদ্দিন, মো. সাইফুর রহমান সোহাগ, মো. জহির উদ্দিন খসরু, আবু মুনির মো. শহিদুল হক চৌধুরী রাসেল, মশিউর রহমান চপল, অ্যাড. ড. শামীম আল সাইফুল সোহাগ, প্রফেসর ড. মো. রেজাউল কবির, ঢাকা মহানগর যুবলীগ উত্তরের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাকির হোসেন বাবুল, ঢাকা মহানগর যুবলীগ দক্ষিণের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাইন উদ্দিন রানা, উত্তরের সাধারণ সম্পাদক মো. ইসমাইল হোসেন, দক্ষিণের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এইচ এম রেজাউল করিম রেজা, প্রচার সম্পাদক জয়দেব নন্দী, দপ্তর সম্পাদক মো. মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. জহুরুল ইসলাম মিল্টন, শিক্ষা প্রশিক্ষণ ও পাঠাগার সম্পাদক ব্যারিস্টার আলী আসিফ খান রাজিব, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক কাজী সারোয়ার হোসেন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মো. শামছুল আলম অনিক, সাংস্কৃতিক সম্পাদক বিপ্লব মুস্তাফিজ, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ডা. মো. ফরিদ রায়হান, জনশক্তি ও কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক শাহীন মালুম, পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মো. হারিস মিয়া শেখ সাগর, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক মো. আবদুল হাই, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. মো. হেমায়েত উদ্দিন মোল্লা, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মো. আব্দুল মুকিত চৌধুরী, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. মুক্তা আক্তার, উপ-প্রচার সম্পাদক আদিত্য নন্দী, উপ-দপ্তর সম্পাদক মো. দেলোয়ার হোসেন শাহজাদা, উপ-গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক অ্যাড. শেখ নবীরুজ্জামান বাবু, উপ-অর্থ সম্পাদক শরীফুল ইসলাম দুর্জয়, উপ-শিক্ষা প্রশিক্ষণ ও পাঠাগার সম্পাদক কাজী খালিদ আল মাহমুদ টুকু, উপ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মো. সফেদ আশফাক আকন্দ তুহিন, উপ-ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক মো. আলতাফ হোসেন, উপ-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক রাশেদুল হাসান সুপ্ত, উপ-তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক এন আই আহমেদ সৈকত, উপ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক ফজলে রাব্বি স্মরণ, উপ-তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক শেখ মোহাম্মদ মিসির আলি, উপ-জনশক্তি ও কর্মসংস্থান সম্পাদক শামসুল কবির রাহাত, উপ-ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মো. আবদুর রহমান, উপ-পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক সামসুল ইসলাম পাটোয়ারী, উপ-শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক মো. ফিরোজ আল আমিন, উপ-কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক মোল্লা রওশন জামির রানা, উপ-মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া শামীম, উপ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হরে কৃষ্ণ বৈদ্য, উপ-মহিলা বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দা সানজিদা শারমীন, সহ-সম্পাদ আবির মাহমুদ ইমরান, মো. আতাউর রহমান উজ্জল, মির্জা মো. নাসিউল আলম শুভ্র, মো. রাজু আহমেদ, ব্যারিস্টার আরাফাত হোসেন খান, মো. আলামিনুল হক আলামিন, মো. আবদুর রহমান জীবন, মো. নাজমুল হুদা ওয়ারেছী চঞ্চল, মো. আরিফুল ইসলাম, সামিউল আমিন, মো. আলমগীর হোসেন শাহ জয়, মো. কামরুল হাসান লিংকন, মো. বাবলুর রহমান বাবলুসহ কেন্দ্রীয়, মহানগর ও বিভিন্ন ওয়ার্ড যুবলীগের নেতৃবৃন্দ।

এর আগে শনিবার সকাল ৯টায় বনানী কবরস্থানে শহীদ শেখ ফজলুল হক মণিসহ ১৫ আগস্টে নিহত সকল শহীদের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন, মিলাদ, দোয়া মাহফিল ও খাদ্য বিতরণ করা হয়। পরে সকাল ১১টায় বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে অনস্থিত কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে 'শেখ ফজলুল হক মণি: সৃষ্টিশীল তারুণ্যের প্রতীক' শীর্ষক আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। 

 

ইত্তেফাক/জেডএইচডি

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

বহিষ্কার করলেও দল পরিবর্তন করবো না: তৈমূর

তৈমূরকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার

ইসি গঠনে আইনের উদ্যোগ ‘যেই লাউ সেই কদু’: বিএনপি  

রাষ্ট্রপতির কাছে আওয়ামী লীগের ৪ প্রস্তাব

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

নারায়ণগঞ্জের মতো জাতীয় নির্বাচনও চমৎকার হবে: তথ্যমন্ত্রী

লন্ডন ফিরে গেলেন খালেদা জিয়ার পুত্রবধূ

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আওয়ামী লীগের সংলাপ আজ

সরকারের সিংহাসন টলমল করছে,পতন ঠেকানোর কেউ নেই: রিজভী