উন্নত চিকিৎসার জন্য বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠানোর বিষয়ে আইনি কোনো ফাঁক বা উপায় আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।
তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার বিদেশ যাওয়ার আবেদন আগে দুই বার প্রত্যাখ্যান করা হয়েছিল। আইনিভাবেই তা প্রত্যাখ্যান করা হয়েছিল। এখন অনেক পক্ষ থেকেই আবেদন এসেছে। আইনের কোনো ফাঁক বা উপায় আছে কিনা এবং সার্বিক দিক বিবেচনা করার পরেই এটার বিষয়ে সিদ্ধান্তে আসা উচিত বলে মনে করি।
রবিবার ঢাকায় বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে জেলা ও দায়রা জজ এবং মহানগর দায়রা জজদের ২৫তম জুডিশিয়াল এডমিনিস্ট্রেশন ট্রেনিং কোর্সের উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী এ সব কথা বলেন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানবিক দিক দেখেছেন। আমাদের কথা হচ্ছে আইনের যাতে কোনো ব্যত্যয় না হয়। আইনের যেন সঠিকভাবে প্রয়োগ হয়। আগে যেরকমভাবে করা হয়েছিল। কিন্তু এবার যখন অনেক আবেদন এসেছে, আইনজীবীদের থেকেও আবেদন এসেছে। সে জন্যই কোনোভাবে কিছু করা যায় কিনা, সেটার কোনো উপায় আছে কিনা সব দিক দেখেই এ বিষয়ে একটা সুচিন্তিত সিদ্ধান্তে আসাটা সমীচীন বলে মনে করি। সেজন্য আমরা একটু সময় নিচ্ছি।
বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সারওয়ার ও ইনস্টিটিউটের পরিচালক গোলাম কিবরিয়া বক্তৃতা করেন।

ভাড়া বাড়লো হাতিরঝিলের চক্রাকার বাসে