বৃহস্পতিবার, ২০ জানুয়ারি ২০২২, ৫ মাঘ ১৪২৮
দৈনিক ইত্তেফাক

মার্চের পর বাজারে খোলা বাজারে ভোজ্য তেল বিক্রি হবে না

আপডেট : ০৮ ডিসেম্বর ২০২১, ০৩:৩৭

আগামী বছরের ১৬ মার্চের পরে বাজারে খোলা তেল বিক্রি করতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। তিনি বলেন, ভোজ্য তেলের প্রতি ভোক্তারা কেন আস্থা রাখতে পারছেন না, সে বিষয়টিও ভাবতে হবে। আমদানিকারক থেকে খুচরা বিক্রেতা পর্যন্ত সবাইকে অবশ্যই আগে জনস্বাস্থ্য বিবেচনা করতে হবে, তারপর মুনাফা।  

গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে ‘ফুড সেফটি অ্যান্ড কোয়ালিটি অ্যাসেসমেন্ট অব ড্রাম অয়েল সোল্ড ইন মার্কেট’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। খাদ্যমন্ত্রী বোতলজাত/প্যাকেটজাত করে মানসম্পন্ন ভোজ্য তেল ভোক্তার কাছে সহজলভ্য করতে সংশ্লিষ্টদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, কোনটি ভালো পণ্য সেটা গ্রাহক বুঝতে পারছেন না। মোড়কের আড়ালে যে পণ্য আছে তার প্রতি আস্থা পাচ্ছে না। তাই বোতলে যে পণ্য আছে তার গুণাগুণ ও ক্ষতিকর দিক লিখে বাজারজাত করতে হবে। তিনি বলেন, ভেজাল খাবারের কারণে ক্যানসার ও হূদেরাগে মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে। চিকিত্সার জন্য অনেক টাকা ব্যয় হচ্ছে, চিকিত্সা নিতে দেশের বাইরে যেতে হচ্ছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশ স্বাধীন হওয়ার পরেই মজুতদারি ও ভেজালের বিরুদ্ধে স্পেশাল অ্যাক্টে মামলা করে শাস্তির বিধান করেছিলেন উল্লেখ করে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ ৫০ বছর পরেও আমাদের ভেজালের বিরুদ্ধে কথা বলতে হচ্ছে। তিনি বলেন, মানহীন ভেজাল খাদ্য দক্ষ মানব সম্পদ গড়ার পথে অন্তরায়। দেশের জন্য দক্ষ মানব সম্পদ গড়তে ব্যবসায়ীদের ভূমিকা রাখতে হবে। ব্যবসায়ীরা সচেতন হলে ভোজ্য তেলে ভেজালের প্রবণতা অনেক কমে যাবে।

নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. আব্দুল কাইউম সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে খাদ্য সচিব ড. মোছাম্মত্ নাজমানারা খানুম ও শিল্প সচিব জাকিয়া সুলতানা বক্তব্য রাখেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন, গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ইমপ্রুভ নিউট্রেশন (গেইন) এর কান্ট্রি ডিরেক্টর ডা. রুদাবা খন্দকার। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সদস্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলীম। 
 

ইত্তেফাক/ইউবি 

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

বিশেষ সংবাদ

সয়াবিনের নামে কী খাচ্ছি