স্বামীর গোপনাঙ্গ কর্তন, সেই পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রী কারাগারে

আপডেট : ১১ ডিসেম্বর ২০২১, ০৮:৩৮

রাজশাহী মেটে্রাপলিটন পুলিশের (আরএমপি) বোয়ালিয়া মডেল থানার মালোপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই ইফতেখার আল-আমিনের গোপনাঙ্গ কেটে ফেলার ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। ভুক্তভোগী পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রী রুপসী দেওয়ানের বিরুদ্ধে নগরীর বোয়ালিয়া থানায় গত বৃহস্পতিবার রাতে এসআই ইফতেখার আল-আমিনের বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা আতিকুর রহমান বাদি হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে রুপসী দেওয়ানকে শুক্রবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

এদিকে ঘটনার শিকার ইফতেখার আল-আমিনকে প্রথমে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে এবং পরে শারীরীক অবস্থার অবনতি হওয়ায় ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতেই এ্যাম্বুলেন্সযোগে তাকে ঢাকার শেখ হাসিনা বার্ন এন্ড প্লাস্টিক সার্জারী ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে নগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিবারণ চন্দ্র বর্মণ বলেন, ভুক্তভোগী পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রী রুপসী দেওয়ান জিজ্ঞাসাবাদে স্বামীর পুরুষাঙ্গ কেটে দেয়ার কথা স্বীকার করেছেন এবং বাসার ময়লার ঝুড়ি থেকে সেটি বের করে দেন।

তার দাবি, ‘তার স্বামীর একাধিক নারীর সাথে অনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। সে ক্ষোভে তিনি এ ঘটনা ঘটিয়েছেন।’ 

ওসি আরও বলেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত রুপসী দেওয়ান বোয়ালিয়া মডেল থানা পুলিশ হেফাজতে ছিলেন। পরে ভুক্তভোগী পুলিশ কর্মকর্তার বাবার দায়ের করা মামলায় তাকে শুক্রবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

আরএমপির মুখপাত্র গোলাম রুহুল কুদ্দুস জানান, গত বৃহস্পতিবার বিকেলে এসআই ইফতেখার আল-আমিন মহানগরীর সাগরপাড়া এলাকায় তার ভাড়া বাসায় ঘুমিয়েছিলেন। পারিবারিক কলহের জের ধরে তার স্ত্রী রুপসী দেওয়ান ধারালো অস্ত্র দিয়ে গোপনাঙ্গ কেটে শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলেন। পরে ইফতেখার আল-আমিনের চিৎকারে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের জরুরী বিভাগে নিয়ে যায়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে রাতেই ঢাকায়  নেয়া হয়। বর্তমানে তিনি আশঙ্কামুক্ত রয়েছেন।

ইত্তেফাক/বিএএফ