সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস গতকাল মঙ্গলবার প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) মূল্যসূচকের পতন হয়েছে। এর মাধ্যমে চলতি সপ্তাহের তিন কার্যদিবসেই শেয়ারবাজারে দরপতন হলো।
গতকাল শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরু হয় বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়ার মাধ্যমে। ফলে লেনদেন শুরুর ১২ মিনিটের মাথায় ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ২৮ পয়েন্ট বেড়ে যায়।
লেনদেনের শুরুতে সূচকের বড় উত্থান হলেও শেষ পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকেনি। বেলা সাড়ে ১১টার পর থেকে একের পর এক প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমতে থাকে, যা অব্যাহত থাকে লেনদেনের শেষ পর্যন্ত। ফলে সূচকের বড় পতন দিয়ে দিনের লেনদেন শেষ হয়। দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ৪৪ পয়েন্ট কমে ৬ হাজার ৮৩৭ পয়েন্টে নেমেছে। এর মাধ্যমে সপ্তাহের প্রথম তিন কার্যদিবসেই ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক হারিয়েছে ১৪৬ পয়েন্ট।
প্রধান মূল্যসূচকের পাশাপাশি পতন হয়েছে অন্য দুই সূচকের। এর মধ্যে ডিএসই শরিয়াহ্ ৩ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৪৫৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। বাছাই করা ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক ১৬ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ৫৬৮ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
দিনভর ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৮০ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। আগের দিন লেনদেন হয় ৬৯৬ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। সে হিসেবে লেনদেন কমেছে ৩৮৪ কোটি ১৫ লাখ টাকা।
টাকার অঙ্কে ডিএসইতে সব থেকে বেশি লেনদেন হয়েছে ওয়ান ব্যাংকের শেয়ার। কোম্পানিটির ১২৪ কোটি ৯১ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা ফরচুন সুজের ৮৪ কোটি ২৪ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। ৫৯ কোটি ১৪ টাকার শেয়ার লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে বেক্সিমকো। এছাড়া ডিএসইতে লেনদেনের দিক থেকে শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে—জিনেক্স ইনফোসিস, জিএসপি ফাইন্যান্সের, ডেল্টা লাইফ ইনসিওরেন্স, অলিম্পিক, সোনালি পেপার, সাইফ পাওয়ার এবং সেনা কল্যাণ ইনসিওরেন্স।
অন্য শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই কমেছে ১০৪ পয়েন্ট। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ২৫ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। লেনদেনে অংশ নেওয়া ২৭০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৭১টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১৭৫টির এবং ২৪টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

লেনদেন নেমেছে আট মাস আগের অবস্থানে