পূর্ব সুন্দরবনের নদীতে বুধবার সকালে ১০০টি লবণপানি প্রজাতির কুমির ছানা অবমুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে শরণখোলা রেঞ্জের নদীতে ৩১টি কুমির ছাড়া হয়েছে। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বন বিভাগ এ কর্মসূচি গ্রহণ করে।
বুধবার পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন ও পর্যটন কেন্দ্রের সামনের নদীতে আনুষ্ঠানিকভাবে এসব কুমির অবমুক্ত করেন বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার তালুকদার। এ সময় প্রধান বন সংরক্ষক (সিসিএফ) মো. আমির হুসাইন চৌধুরী, খুলনা অঞ্চলের বন সংরক্ষক (সিএফ) মিহির কুমার দে প্রমুখ উপস্হিত ছিলেন।
শরণখোলা স্টেশন কর্মকর্তা আ. মান্নান জানান, শরণখোলা রেঞ্জের আলীবান্দা, মরাভোলা, শাপলা ও কচিখালীর নদীতে ৩১টি কুমির ছানা ছাড়া হয়েছে। পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মুহাম্মদ বেলায়েত হোসেন জানান, সর্বশেষ জরিপে সুন্দরবনের নদীতে লবণপানি প্রজাতির ১৫০ থেকে ২০০ কুমির রয়েছে। যা সুন্দরবনের ৪৫০টি নদ-নদী ও খালসহ ১৮৭৪.১ বর্গ কিলোমিটার জলভাগের জন্য পর্যাপ্ত নয়।
এ অবস্হায় কুমিরের সংখ্যা বাড়াতে বন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে সুন্দরবনের করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্র থেকে নেওয়া লবণপানির ১০০টি কুমির সুন্দরবনের সাতক্ষীরা, খুলনা, চাঁদপাই ও শরণখোলা রেঞ্জের নদীতে অবমুক্ত করা হয়েছে।
