বৃহস্পতিবার, ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২৬ মাঘ ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

বঙ্গবন্ধুর কৃষিবান্ধব নীতি ও অর্ধশতাব্দীর কৃষি উন্নয়ন 

আপডেট : ১৬ ডিসেম্বর ২০২১, ১৪:৪৪

বাংলাদেশ এখন মহান স্বাধীনতার ৫০তম বছর অর্থাৎ সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করছে। আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের মহানায়ক জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে চলমান মুজিবর্ষ উদযাপনের সঙ্গে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী অনেক বেশি তাৎপর্যপূর্ণ। 

আমাদের জাতির জনক গ্রাম থেকে এসেছেন, গ্রামের কৃষকদের সংস্পর্শে থেকে তাদের উন্নয়নের কথা ভেবেছেন। বলেছেন, ‘আমিতো গ্রামেরই ছেলে। গ্রামকে আমি ভালোবাসি।’ স্বাধীনতার পর ঐ গ্রামীণ জীবনের উন্নয়ন এবং কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য তিনি কৃষিবিপ্লবের ডাক দিয়েছেন। কৃষি ও কৃষকের উন্নতির জন্য উদার রাষ্ট্রীয় সহায়তা দিয়েছেন। তিনি ছিলেন এদেশের কৃষি ও কৃষকের এক মহান প্রাণ-পুরুষ, পরম বন্ধু।

১৯৭১ সালের ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু দেশবাসীকে স্বাধীনতার সংগ্রাম ও মুক্তির সংগ্রামের ডাক দিয়েছিলেন। ১৬ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে হানাদার পাকিস্তানি বাহিনীর পরাজয়ের মাধ্যমে অর্জিত হয় পূর্ণ স্বাধীনতা। এর পর শুরু হয় মুক্তির সংগ্রাম। বঙ্গবন্ধু বলেছেন, ‘উনিশশ একাত্তর সালের ১৬ ডিসেম্বর আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের সমাপ্তি। 

এই একই দিনে আমাদের দেশ গড়ার সংগ্রাম শুরু।’ অতঃপর বঙ্গবন্ধুর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে এগিয়ে চলে আমাদের অর্থনৈতিক মুক্তির সংগ্রাম। দ্রুত অবকাঠামো গড়ে ওঠে। সৃষ্টি হয় নতুন কর্মসংস্থান। ফলে কাঙ্ক্ষিত হারে বৃদ্ধি পেতে থাকে দেশজ উৎপাদন। হ্রাস পেতে থাকে দারিদ্র্য। এর মাত্র সাড়ে তিন বছর পর ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট একদল দেশদ্রোহী সেনাসদস্য তাকে সপরিবারে হত্যা করে অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রাকে থামিয়ে দেয়। তার পর দীর্ঘ সংগ্রামের পথ পেরিয়ে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। 

তার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে গত ১২ বছর ধরে জিডিপির প্রবৃদ্ধি অর্জিত হচ্ছে ছয় থেকে আট শতাংশ হারে। স্বাধীনতার পর আমাদের দারিদ্রের হার ছিল ৮০ শতাংশের বেশি। বর্তমানে তা নেমে এসেছে ২১ শতাংশের নিচে। আমাদের মাথাপিছু আয় ছিল গড়ে মাত্র প্রায় ১০০ মার্কিন ডলার। এখন তা উন্নীত হয়েছে ২ হাজার ২২৭ মার্কিন ডলারে।

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনের দ্বারপ্রান্ত এসে দেশকে স্বল্পউন্নয়ন দেশের তালিকা থেকে উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় উত্তরণের চূড়ান্ত সুপারিশ করেছে জাতিসংঘ। এর মধ্যে দিয়ে চলমান মুজিববর্ষে বাংলাদেশের মর্যাদা পৌঁছে গেছে এক অনন্য উচ্চতায়। সারা বিশ্বের কাছে বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেল।

স্বাধীনতার পর বিভিন্ন খাতে দেশের যে অর্থনৈতিক অগ্রগতি হয়েছে তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি দৃশ্যমান খাতটি হলো কৃষিখাত। অতীতে বাংলাদেশ ছিল একটি খাদ্যঘাটতির দেশ। ব্রিটিশ আমলে গঠিত বিভিন্ন কৃষি কমিশনের প্রদত্ত প্রতিবেদনের তথ্য থেকে এখানকার চরম খাদ্যঘাটতির চিত্রটি ফুটে ওঠে। পাকিস্তান আমলেও পূর্ববঙ্গের খাদ্য উৎপাদন চিত্র তেমন সুখকর ছিল না। 

এ অঞ্চলে প্রতি বছর গড়ে খাদ্যঘাটতির পরিমাণ ছিল ১৫ থেকে ২০ লাখ টন। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালে এদেশে মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয় কৃষির উৎপাদন। ফলে ১৯৭১-৭২ সালে দেশে খাদ্যঘাটতির পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৩০ লাখ টন। এটি ছিল মোট উৎপাদন প্রায় ৩০ শতাংশ। এ ঘাটতি মেটাতে হয়েছে বিদেশ থেকে খাদ্যশস্য আমদানির মাধ্যমে। সেটা ছিল জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নিকট অত্যন্ত পীড়াদায়ক। তাই তিনি বলেছিলেন, ‘খাদ্যের জন্য অন্যের ওপর নির্ভর করলে চলবে না। 

আমাদের নিজেদের প্রয়োজনীয় খাদ্য নিজেদেরই উত্পাদন করতে হবে। আমরা কেন অন্যের কাছে ভিক্ষা চাইব। আমাদের উর্বর জমি, আমাদের অবারিত প্রাকৃতিক সম্পদ, আমাদের পরিশ্রমী মানুষ, আমাদের গবেষণা সম্প্রসারণ কাজের সমন্বয় করে আমরা খাদ্যে স্বয়ম্ভরতা অর্জন করব।’ সেই লক্ষ্য অর্জনের জন্য বঙ্গবন্ধু কৃষিবিপ্লবের আহ্বান জানান। বাংলাদেশের সংবিধানের ১৬ অনুচ্ছেদে তিনি কৃষিবিপ্লবের বিকাশের কথা স্পষ্টভাবেই উল্লেখ করেন।

বঙ্গবন্ধু তার বক্তৃতায় বলেন, ‘দেশের কৃষিবিপ্লব সাধনের জন্য কৃষকদের কাজ করে যেতে হবে। বাংলাদেশের এক ইঞ্চি জমিও অনাবাদি রাখা হবে না।’ এ বিপ্লবে দেশের কৃষকদের উদ্বুদ্ধু করার জন্য তিনি কৃষিউপকরণের ওপর উদার সহায়তা প্রদান করেন। 

রাসায়নিক সার বিতরণের ব্যবস্থা করেন প্রায় অর্ধেক মূল্যে। ১৯৭২ সালে প্রতি সের (প্রতি কেজি) ইউরিয়া সারের মূল্য ছিল আট আনা (২০ টাকা মণ), টিএসপি সারের মূল্য ছিল ৬ আনা (১৫ টাকা মণ) এবং এমওপি সারের মূল্য ছিল চার আনা (১০ টাকা মণ)। একটি গভীর নলকূপের দাম ছিল প্রায় দেড় লাখ টাকা। সেটি কৃষক সমবায়কে দিয়েছেন মাত্র ১০ হাজার টাকা ডাউন পেমেন্ট প্রদানের মাধ্যমে। প্রতি ইউনিট পাওয়ার পাম্পের দাম ছিল প্রায় ২২ হাজার টাকা। সেটি ভাড়ায় প্রদান করা হয়েছে মাত্র ৬০০ টাকায়। আধুনিক উচ্চফলনশীল বীজ সরবরাহ করা হয়েছে নামমাত্র মূল্যে। তাছাড়া কৃষি যান্ত্রিকীকরণকে উৎসাহিত করার জন্য বঙ্গবন্ধু ভতু‌র্কি মূল্যে ট্রাক্টর ও টিলার সরবরাহের ব্যবস্থা করেন।

তাতে কৃষকদের উৎপাদন খরচ পড়ে কম। অপরদিকে তিনি উত্পাদিত কৃষিপণ্যের ন্যাঘ্য মূল্য নিশ্চিতের ব্যবস্থা করেন। ধান, পাট, তামাক ও আখসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কৃষিপণ্যের নূন্যতম ক্রয়মূল্য নির্ধারণ করে দেন। এভাবে তিনি কৃষির উৎপাদন লাভজনক করে তোলেন দেশের কৃষকদের জন্য। ১৯৭২ সালের ২৬ মার্চ বেতার ও টেলিভিশনে ভাষণদানকালে বঙ্গবন্ধু বলেন, ‘আমাদের সমাজে চাষিরা হলো সবচেয়ে দুঃখী ও নির্যাতিত শ্রেণি এবং তাদের অবস্থার উন্নতির জন্য আমাদের উদ্যোগের বিরাট অংশ অবশ্যই তাদের পেছনে নিয়োজিত করতে হবে।’ 

তার এ অভিপ্রায় প্রতিফলিত হয়েছে দেশের তত্কালীন বাজেট ও উন্নয়ন পরিকল্পনায়। ১৯৭২-৭৩ সালের বাজেটে বৃহত্তর কৃষিখাতের শরিকানা ছিল ২০ শতাংশ। তার নেতৃত্বে প্রণীত দেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় (১৯৭৩-৭৮) কৃষি ও পল্লি উন্নয়ন খাতে মোট উন্নয়ন বরাদ্দের ৩১ শতাংশ অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছিল। দেশের আর্থিক উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনের জন্য সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল কৃষিউন্নয়নের ওপর। গড়ে তোলা হয়েছিল বিভিন্ন গবেষণা, সম্প্রসারণ ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান। তিনি ২৫ বিঘা পর্যন্ত কৃষি জমির সব খাজনা রহিত করেন। জমির মালিকানার সর্বোচ্চ সীমা পরিবার প্রতি ১০০ বিঘায় নির্ধারণ করে দেন। ঐ জমি বিতরণ করা হয় ভূমিহীন কৃষকদের মধ্যে। 

তাছাড়াও আশ্রয়হীনদের জন্য গড়ে তোলেন গুচ্ছগ্রাম। শীত মৌসুমে প্রাকৃতিক দুর্যোগ থাকে কম। তখন ফসল ফলানোর সুযোগ থাকে বেশি। সেজন্য শীতকালীন ফসলের ওপর তিনি গুরুত্ব আরোপ করেছেন। পানি সেচের সুবিধা সম্প্রসারণ করতে চেয়েছেন। জমির ফসল উত্পাদনের নিবিড়তা বৃদ্ধির পরামর্শ দিয়েছেন। আধুনিক কৃষিউপকরণ প্রয়োগের মাধ্যমে প্রতি একর জমির উত্পাদন দ্বিগুণ বৃদ্ধির আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট রাজনৈতিক পট-পরিবর্তনের পর দেশের কৃষিউন্নয়নের গতি থমকে যায়। কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধি নেমে আসে শূন্যের কোঠায়। কৃষিভতু‌র্কি প্রত্যাহার করা হয়। দারিদ্র্য ও মহাজনি ঋণের চাপে নিষ্পেষিত হয় দেশের কৃষক। তবে ১৯৯৬ সালে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা গ্রহণের পর অবস্থার দ্রুত উন্নতি সম্ভব হয়। বর্তমানে চাল উত্পাদনের ক্ষেত্রে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান তৃতীয়। বিভিন্ন ফসলের জাত উদ্ভাবন ও উন্নয়নে বাংলাদেশের স্থান হলো সবার ওপরে। 

তাছাড়া পাট উত্পাদনে বাংলাদেশের স্থান দ্বিতীয়, সবজি উত্পাদনে তৃতীয়, চাষকৃত মত্স্য উত্পাদনে দ্বিতীয়, আম উৎপাদন সপ্তম ও আলু উত্পাদনে অষ্টম বলে বিভিন্ন তথ্য থেকে জানা যায়। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে চালের উত্পাদন বেড়েছে প্রায় চার গুণ, গম দুই গুণ, ভুট্টা ১০ গুণ ও সবজির উত্পাদন বেড়েছে পাঁচ গুণ। খাদ্যশস্য, মৎস্য, ডিম ও মাংস উৎপাদন বাংলাদেশ এখন স্বয়ম্ভর। চিরকালের দুর্ভিক্ষ, মঙ্গা আর ক্ষুধার দেশে এখন ঈর্ষণীয় উন্নতি হয়েছে খাদ্যোৎপাদন ও সরবরাহের ক্ষেত্রে। 

বর্তমান সরকারের কৃষিবান্ধব নীতি গ্রহণের ফলেই এই উন্নতি সম্ভব হয়েছে। এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে কৃষির উন্নয়নে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করে। জমির সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার কারণে দেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। এখন সারের জন্য কৃষককে ধরণা দিতে হয় না। কৃষকদের কাছেই পৌঁছে যায় সার। আওয়ামী লীগ সরকার সেই ব্যবস্থা করেছে। তিনি বলেন, খাদ্যের জন্য যেন আর কোনো দিন বাংলাদেশকে কারো কাছে হাত পাততে না হয়, সেটা নিশ্চিত করাই তার সরকারের লক্ষ্য।

বর্তমান সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার খাত হিসেবে চিহ্নিত করেছে কৃষিখাতকে। রাসায়নিক সারের দাম দফায় দফায় কমিয়ে নিয়ে আসা হয়েছে কৃষকের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে। ২০০৮-০৯ সাল থেকে পাঁচ দফায় কমিয়ে ইউরিয়া সারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি কেজি ১৬ টাকায়। টিএসপি সারের দাম ৮০ টাকা থেকে কমিয়ে ২২ টাকায়, এমওপি সারের দাম ৭০ টাকা থেকে কমিয়ে ১৫ টাকা, ডিএপি সারের দাম ৯০ টাকা থেকে কমিয়ে ১৬ টাকায় নির্ধারণ করা হয়েছে। 

গত এক যুগে শুধু সারেই ভতু‌র্কি দেওয়া হয়েছে ৭৪ হাজার কোটি টাকা। পানি সেচের জন্য ব্যবহৃত বিদ্যুতের ওপর চালু করা হয়েছে ২০ শতাংশ ভতু‌র্কি। ৫০ শতাংশ ভতু‌র্কি মূল্যে বিক্রির ব্যবস্থা করা হয়েছে কৃষি যন্ত্রপাতি। মোট বাজেটের প্রায় ২ শতাংশ ব্যয় করা হচ্ছে কৃষিভতু‌র্কি খাতে। ফলে দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে খাদ্যশস্যের উৎপাদন। ত্বরান্বিত হয়েছে খাদ্যনিরাপত্তা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গ্রামীণ উন্নয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, গ্রাম হবে শহর। আমার গ্রাম আমার শহর: প্রতি গ্রামে আধুনিক নগর সুবিধার সম্প্রসারণ—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে তিনি গ্রামোন্নয়নের পথ-নকশাও উপস্হাপন করেছেন। বঙ্গবন্ধু গ্রামীণ বহুমুখী সমবায়ের যে রূপরেখা উপস্হাপন করেছিলেন তার কাছাকাছি অবস্থান করে তিনি গ্রহণ করেছেন ‘একটি বাড়ি, একটি খামার’ প্রকল্প। বর্তমানে ‘আমার গ্রাম আমার শহর’ শ্লোগানের সঙ্গে সংগতি রেখে প্রকল্পটির নামকরণ করা হয়েছে ‘আমার বাড়ি, আমার খামার’। প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে ‘পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক’। 

‘আমার বাড়ি, আমার খামার’ এবং ‘পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গ্রামীণ সমবায় ভাবনারই বাস্তব রূপায়ণ। তাতে উপকৃত হচ্ছে গ্রামের গরিব মানুষ, ছোট কৃষক ও ক্ষেত মজুর। সম্ভব হচ্ছে গ্রামীণ আয়ের বহুধাকরণ।

লেখক: কৃষি অর্থনীতিবিদ ও মুক্তিযোদ্ধা
গবেষণা ক্ষেত্রে গৌরবময় ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘একুশে পদক’প্রাপ্ত

ইত্তেফাক/এএএম