আগামী ২৬ ডিসেম্বর দিনাজপুর জেলার কাহারোল উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে অনুষ্ঠিত হবে ৪র্থ ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন। প্রার্থীদের প্রচার প্রচারণায় সরগরম ইউনিয়নগুলো। ভোটারদের মন জয় করতে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে প্রচার। তবে অভিযোগ উঠেছে নির্বাচনী প্রচারে আচরণ বিধি লঙ্ঘন করছেন প্রার্থীরা। এমন কি পোষ্টার-ব্যানার লাগানোসহ শব্দ যন্ত্রের (মাইক) ব্যবহারে মানা হচ্ছে না কোন বিধি নিষেধ।
শনিবার (১৮ ডিসেম্বর) দুপুরে ২নং রসুলপুর ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী সারদা কান্ত রায় এ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ রিটার্নিং কর্মকর্তার দপ্তরে জমা দিয়েছেন। তবে কর্তৃপক্ষ বলছে আচরণ বিধি লঙ্ঘন নিয়ে কোন অভিযোগ পাননি তারা।
শনিবার সরজমিন কাহারোল উপজেলার ডাবোর, রসুলপুর, তাড়গাঁও, মুকুন্দপুর, সুন্দরপুর ও রামচন্দ্রপুর ইউপি ঘুরে দেখা গেছে চেয়ারম্যান ও সদস্য পদে প্রতিদ্বন্ধীতাকারী চেয়ারম্যান ও সদস্য পদে প্রতিদ্বন্ধীতাকারী কোন প্রার্থীই নির্বাচনী আচরণ বিধি মেনে চলছে না। দুপুর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত মাইকিং করছে প্রার্থীরা। এতে করে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের লেখাপড়া বিঘ্নিত হচ্ছে। পোষ্টার সাঁটানো থেকে শুরু করে নির্বাচনী আইনের কোন তোয়াক্কাই করছেনা প্রার্থীরা।
প্রার্থীরা বিধি মালা লঙ্ঘন করে গাছে, বৈদ্যুতিক খটিতে, বসতবাড়ির প্রাচীর ও দেওয়ালে পোষ্টার সেটে চলেছে। পোষ্টার সাঁটানো থেকে বাদ পড়েনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ফটক সহ সড়কের অভ্যর্থনা তোরণ ও যানবাহন। উপজেলা বিভিন্ন এলাকায় পোষ্টারে ছেয়ে গেছে বিভিন্ন এলাকা।
সার্বিক বিষয় নিয়ে জানতে চাইলে কাহারোল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনিরুল হাসান বলেন, নির্বাচনী আচরণ বিধি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। সহকারী কমিশনার (ভূমি) দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আমরা আচরণবিধি লঙ্ঘনের ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কাহারোল উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা তাজাল্লি ইসলাম এই বিষয়য়ে বলেন আমরা এই সব অভিযোগের বিষয়ে ব্যবস্থা নেব।
