স্বাধীনতার ৫০ বছর পরও হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ বধ্যভূমি অরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে। জানা যায়, ১৯৭১ সালে হানাদার বাহিনী মুক্তিযোদ্ধাসহ ১১ জনকে হত্যা করে এখানে গণকবর দেয়। সরেজমিনে দেখা যায়, শায়েস্তাগঞ্জ বধ্যভূমি রেললাইন সংলগ্ন হওয়ায় রেললাইন অতিক্রম ব্যতীত সেখানে যাওয়ার কোনো রাস্তা নেই।
পৌরসভার ব্যবস্থাপনায় শায়েস্তাগঞ্জ-হবিগঞ্জ সড়ক থেকে বধ্যভূমিতে যাতায়াতের সুবিধার্থে একটি পাকা সড়ক নির্মাণ করা হলেও তা সিএনজি অটোরিকশার দখলে রয়েছে। বধ্যভূমি সংরক্ষণের জন্য একজন মুক্তিযোদ্ধা তার নিজস্ব অর্থায়নে ভবন নির্মাণ করে দিলেও বধ্যভূমিতে গড়ে ওঠেনি কোনো স্মৃতিস্তম্ভ। শুধুমাত্র একটা সাইনবোর্ড বসানো রয়েছে।
যার লেখাও অনেকটা মুছে গেছে। আর কয়েকটা পাকা পিলার দিয়ে সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে জেলা মুক্তিযোদ্ধা সহকারী কমান্ডার ও জেলা সাংগঠনিক ইউনিট কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা শফিকুর রহমান বলেন, শায়েস্তাগঞ্জের বধ্যভূমি সংস্কারের জন্য টেন্ডার হয়েছে। অচিরেই এর উন্নয়ন কাজ শুরু করা হবে। এ বিষয়ে উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মিনহাজুল ইসলাম বলেন, শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বধ্যভূমির ১১ জনের নাম সংবলিত একটি সাইনবোর্ড বানানো হয়েছে। তা উন্মুক্ত করা হবে।
