কৌশলগত দিক থেকে মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। মার্কিন পররাষ্ট্রনীতি এখন চীন, রাশিয়া এবং সুদূর প্রাচ্যের দিকেই বেশি ঝুঁকছে। ফলস্বরূপ, আরব রাষ্ট্রগুলি, বিশেষ করে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং অন্যান্য উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের রাষ্ট্রগুলির পক্ষ থেকে নির্ভরযোগ্যতা হারাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।
এমই ইন্সটিটিউটের সেন্টার ফর তুর্কি স্টাডিজের পরিচালক গনুল টোল বলেন, "আফগানিস্তান থেকে দ্রুত প্রত্যাহার করে এই অঞ্চল থেকে মার্কিন সেনা অপসারণ ওয়াশিংটনের ওপর আঞ্চলিক ভূমিকার প্রতি বিশ্বাসকে ভেঙে দিয়েছে"।
এদিকে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোনো ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী সংযুক্ত আরব আমিরাত সফর করেছেন। গত সপ্তাহে নাফতালি বেনেট সংযুক্ত আরব আমিরাতের সরকারী সফর করেন এবং আবুধাবিতে ক্রাউন প্রিন্স শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদের সাথে আলোচনা করেন। দুই নেতা কৃষি, খাদ্য নিরাপত্তা, অগ্রসর প্রযুক্তি, স্বাস্থ্য, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ইত্যাদি ক্ষেত্রে সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন।
এই সফরে বেনেট ও ক্রাউন প্রিন্স শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ কীভাবে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি স্থাপন করা যায় তা নিয়েও আলোচনা করেন। আব্রাহাম চুক্তির পরিপ্রেক্ষিতে, ইসরায়েল এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিককরণের প্রেক্ষাপটে দুই দেশ স্বাক্ষর করার মাত্র পনের মাস পরে এই বৈঠকটি হয়।
মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক বিশেষজ্ঞ লেখক আমিন সাইকাল বলেন “আফগানিস্তানের পরাজয় বিশ্বজুড়ে আমেরিকার অনেক মিত্রকে নাড়া দিয়েছে, তাদের অংশীদার হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছে। আমেরিকার আফগানিস্তান ফিসকো এই অঞ্চলে ধারাবাহিকভাবে পুনর্গঠন ঘটিয়েছে।
