বড়দিনের ছুটিতে উৎসবের আমেজ নিউজিল্যান্ড জুড়ে। ক্রাইস্টচার্চ থেকে তাওরাঙ্গায় আসা বাংলাদেশ দলও অগত্যা গতকাল বড়দিনের ছুটিই কাটাল টিম হোটেলে। এমন বিশ্রামের দিনেই বাংলাদেশ দলের নিউজিল্যান্ড সফরের ইতিহাসে সবচেয়ে সুখকর দিনটার স্মৃতিচারণ করলেন খালেদ মাহমুদ সুজন। ২০১৭ সালে ওয়েলিংটন টেস্টে কিউইদের বিরুদ্ধে দারুণ লড়াইয়ের পর ম্যাচের পঞ্চম দিনে হেরেছিল মুশফিকুর রহিমের দল।
সাকিবের ডাবল সেঞ্চুরি, মুশফিকের সেঞ্চুরি, তামিম-মুমিনুল-সাব্বিরের হাফ সেঞ্চুরিতে ম্যাচটার নিয়ন্ত্রণে ছিল বাংলাদেশ। ৮ উইকেটে ৫৯৫ রান তুলে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করেছিল টাইগাররা। কিন্তু দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং ভরাডুবির কারণে ম্যাচের পঞ্চম দিনের চা বিরতির পর হেরে যায় মুশফিক বাহিনী। সাকিব-মুশফিকের ৩৫৯ রানের জুটিটাও হারের হতাশায় ডুবে যায়।
এবার নিউজিল্যান্ড সফরে দুই টেস্টের সিরিজে সেই চার বছর আগের ওয়েলিংটন টেস্টকেই প্রেরণা মানছেন টিম ডিরেক্টর খালেদ মাহমুদ সুজন। সেই স্মৃতিকে মাথায় রেখে এবার আরো ভালো কিছু করতে চান তিনি।
নিউজিল্যান্ড সফরে তিন ফরম্যাটে টানা ৩২ ম্যাচ হেরেছে বাংলাদেশ। টেস্টেও ১০ ম্যাচে জয়শূন্য সফরকারীরা। অতীতকে ছাড়িয়ে যাওয়ার আশাবাদ জানিয়ে গতকাল সুজন বলেছেন, ‘এর আগে আমরা নিউজিল্যান্ডে ১০টা টেস্ট ম্যাচ খেলেছি। যার রেকর্ড খুব একটা ভালো না। ২০১৬ সালের (আসলে ২০১৭) ওয়েলিংটন টেস্ট ম্যাচ ব্যতীত। যেখানে আমরা পঞ্চম দিনে চা বিরতির পর হেরেছিলাম। এটাকে আমরা প্রেরণা হিসেবে নিচ্ছি। ঐ টেস্টে যদি আমরা ৫৯৫ রান ৮ উইকেটে করতে পারি, ডিক্লেয়ার করেছিলাম ঐ ম্যাচটা আমরা। আমরা চাই ঐটা থেকেও ভালো কিছু করতে।’তাওরাঙ্গা এসে বড়দিনের ছুটি শেষে আজই আবার অনুশীলনে নামবে বাংলাদেশ দল। ক্রিকেটাররা সবাই ফিট ও সুস্থ আছেন। অনুশীলন ও প্রস্তুতি ম্যাচের পরবর্তী সূচি সম্পর্কে টিম ডিরেক্টর বলেছেন, ‘আগামী ২৬, ২৭ ডিসেম্বর, দুদিন আমরা ট্রেনিং করব। ২৮-২৯ ডিসেম্বর আমাদের দুই দিনের প্রস্তুতি ম্যাচ আছে। ৩০ ডিসেম্বর আবার আরেকটা বিরতি হবে। ৩১ ডিসেম্বর প্র্যাকটিসের পর আমরা ১ জানুয়ারি থেকে তাওরাঙ্গায় আমরা টেস্ট ম্যাচ খেলব।’
