মমতার সরকারের সঙ্গে দ্বন্দ্ব চরমে রাজ্যপাল ধনকড়ের

আপডেট : ২৭ ডিসেম্বর ২০২১, ০১:০৩

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আচার্য হিসেবে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়কে সরানোর চিন্তাভাবনার কথা জানিয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। এ নিয়ে রাজ্যপাল ও রাজ্য সরকারের মধ্যে সংঘাত এখন চরমে।

রাজ্যপাল ধনকড় সরাসরি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, তার অনুমতি ছাড়া যত উপাচার্য নিয়োগ করা হয়েছে, সব খতিয়ে দেখবেন তিনি। প্রয়োজনে কঠোর পদক্ষেপ নেবেন। অন্যদিকে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য করবেন কেন, তাকে রাজ্যপালই করা হোক। গতকাল রবিবার সকালে দার্জিলিং যাওয়ার উদ্দেশ্যে । বাগডোগরা বিমানবন্দরে তিনি এ কথা বলেন।

আনন্দবাজার পত্রিকার খবরে বলা হয়েছে, রাজ্যপালের সঙ্গে নবান্নের বিরোধ নতুন কিছু নয়। সম্প্রতি রাজ্যপাল রাজ্যের সব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যায়ের উপাচার্যকে ডেকে পাঠান। তা নিয়ে নতুন করে সংঘাতের পরিস্হিতি তৈরি হয়। রাজ্যের বিভিন্ন কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালনা ব্যবস্হা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন রাজ্যপাল।

পশ্চিমবঙ্গের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে রাজ্য সরকার আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছিলেন তিনি। এরপরই পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেন, রাজ্যপালকে বাদ দিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য করার ভাবনাচিন্তা শুরু করা হয়েছে। এ নিয়ে আইনজ্ঞদের পরামর্শও নেওয়া হবে।

রাজ্যপাল বলেন, আমি আশ্চর্য হয়ে গিয়েছি, শিক্ষামন্ত্রী আমার সঙ্গে কোনো আলোচনা করলেন না বলে দিলেন মুখ্যমন্ত্রীকে আচার্য করবেন! আপনি মুখ্যমন্ত্রীকে আচার্য কেন রাজ্যপালও করে দিন। তা হলে হয়তো আপনি শান্তি পাবেন। এই আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়। রাজ্যপালের বক্তব্যের জবাবে তৃণমূলের মুখপাত্র তাপস রায় বলেছেন, ধনকড়কেই মুখ্যমন্ত্রী করে দেওয়া হোক, তাহলেই বোধহয় তিনি খুশি হবেন।

ইত্তেফাক/টিআর