পরিচালক ইন্দ্রনীল বন্দ্যোপাধ্যায়ের নতুন স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘ঊর্মিমালা’ মুক্তির পর থেকেই প্রশংসিত হচ্ছে। ‘ঊর্মিমালা’ মোট আটটি পুরস্কার ও বারোটি অফিসিয়াল আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল এ নির্বাচিত হয়েছে- যার মধ্যে ‘সপ্তম এমিরেটস ইনটারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল’ যা দুবাইয়ের ডায়েরা সিটি সেন্টার মলের বিশ্ববিখ্যাত ‘ভকস সিনেমাস’ এ চলে।
ইন্দ্রনীল এর আরেকটি জনপ্রিয় শর্টফিল্ম ও এই ফেস্টিভ্যাল এ চলে যার নাম ‘হ্যালো’।
ইন্দ্রনীল নির্মাণ শুরু করেছিলেন শর্টফিল্ম দিয়ে এবং এখন তিনি ভারতের প্রথম মিনি হরর সিরিজের নির্মাতা যা ‘আমাজন প্রাইম ইউএসএ’ ও ‘এম এক্স প্লেয়ার’ এ দেখা যাচ্ছে। প্রতিটি কাজ করার আগে অনেক ভেবে চিন্তে শুটিং শুরু করেন এই নির্মাতা।
‘ঊর্মিমালা’ খানিকটা থ্রিলার ঘরানার গল্প। একজন লেখক অবাস্তব বিষয় নিয়ে গল্প লেখেন। সেই গল্পের চরিত্ররা আবার কখনও কখনও তার সামনে এসে হাজির হয়। একদিন লিখতে গিয়েই লেখকের সামনে হাজির হয় এক রহস্যময়ী নারী। তারপর গল্প বাঁক নেয়। ঊর্মিমালার লেখক ও প্রযোজক কেষ্ট মণ্ডল আশিস পাঠক জিনি লেখকের চরিত্রটি করেছেন এই ছবিতে। এছাড়াও পিয়ালি ধর সাগরিকা চরিত্রটি করেছেন আরও অন্যান্যরা আছেন। তুহিন দাসগুপ্ত এই ছবির চিত্রগাহক।
ইন্দ্রনীল জানান, আজকে স্মার্ট দর্শক একঘেয়ে জিনিস দেখতে পছন্দ করেন না তাই তিনি সবসময় নতুন ধরনের কিছু উপহার তার দর্শকদের দিয়ে থাকেন।
ইন্দ্রনীল মোট বাহাত্তরটি পুরস্কার পেয়েছেন তার আটটি ফিল্ম এর জন্য এবং একশো ষাটটির উপর অফিসিয়াল আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল এ নির্বাচিত হয়েছে।
বাংলাদেশ নিয়ে ইন্দ্রনীল বলেন, ‘আমি হুমায়ূন আহমদ এর ভক্ত। এছাড়া বাংলাদেশে আমার ছবি ‘দ্য চেজ’ এর পুরষ্কার নিতে গেয়েছিলাম এবং রংপুর ও ঢাকায় ছিলাম। শামীম জামাম, চঞ্চল চৌধুরী, আবুল হায়াৎ, মোশারফ করিম ও আরও অনেকের সঙ্গে দেখা হয়েছে। সবার সঙ্গে আমার সুসম্পর্ক। বিশেষ করে বাংলাদেশের আতিথেয়তা কোনদিনও ভোলার নয়।’
ইত্তেফাক/বিএএফ

শাকিবের নায়ক হয়ে ওঠার গল্প নিয়ে সিনেমায় শান্ত-দিঘী!