কমলাপুর স্টেডিয়ামে ফেডারেশন কাপ ফুটবলের ম্যাচে মোহামেডান-স্বাধীনতা ক্রীড়া সংঘের ম্যাচ ১-১ গোলে শেষ। ফ্লাডলাইট নিভে গেলো। খেলোয়াড়েরা ক্লাবে ফিরতে স্টেডিয়ামের বাইরে অপেক্ষামাণ গাড়িতে উঠে বসলেন। বাফুফের দায়িত্বপ্রাপ্তদের তখন মনে পড়ল ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ হয়নি। টাইব্রেকারে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন নির্ধারণ করতে হবে।
বাফুফের কমিটিশন ডিপার্টমেন্টের লোকজন দৌড়ে গিয়ে কাউকে ড্রেসিং রুম থেকে, কাউকে বাস থেকে দুই দলের খেলোয়াড়দের নামিয়ে আনতে হাতে-পায়ে ধরলেন, আবার জার্সি-প্যান্ট পরিয়ে মাঠে নামতে মিনতি করলেন। রেফারি আনিসুর রহমানও জানতেন না। ৯০ মিনিটের খেলা শেষ করে রেফারিরা ড্রেসিং রুমে পোশাক পরিবর্তন করে নিয়মিত আলোচনায় বসেছিলেন। তখন বাফুফের কম্পিটিশন ডিপার্টমেন্ট থেকে রেফারিকে ডেকে মাঠে নামতে বললেন। পুনরায় ফ্লাডলাইট জ্বলল। রেফারি মাঠে নামলেন, দুই দলের খেলোয়াড়েরাও মাঠে নামলেন। এসব চিত্র হাসির খোরাক জুগিয়েছে উপস্হিত লোকজনের মধ্যে। টাইব্রেকার শুরু হলো। সবার মনোযোগ স্পটকিকের দিকে। মোহামেডান টাইব্রেকিংয়ে ৪-৩ গোলে স্বাধীনতা ক্রীড়া সংঘকে হারিয়ে ‘এ’ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠল। গ্রুপ রানার্সআপ স্বাধীনতা ক্রীড়া সংঘ।
ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করতে আগেই সবকিছু প্রস্তুত থাকার কথা। রেফারিসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিটি বিভাগকে প্রস্ত্তত থাকতে বলা হয়। সেটি হয়নি। এমন ঘটনা কেন ঘটল? বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাইম সোহাগ খোঁজ নিয়ে জানালেন, হঠাৎ করে কিছু এলোমেলো হওয়ায় সমস্যা হয়েছিল, দ্রুতই সমাধান করা হয়েছে।’ ফেডারেশন কাপ ফুটবলে বসুন্ধরা কিংস, উত্তর বারিধারা ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ওয়াকওভার দেওয়ায় গ্রুপিংয়ের অন্য দলগুলোর সমীকরণ মেলাতে গিয়ে জট সৃষ্ট হয়েছিল। একটুখানি ভুলের চিত্র বড় আকারে মিললো।
