ইন্দো-প্যাসিফিক নীতি শক্তিশালী করতে এবং এই অঞ্চলে চীনের ক্রমবর্ধমান উচ্চাকাঙ্ক্ষার প্রতি ভারসাম্য বজায় রাখতে বাংলাদেশের সঙ্গে কৌশলগত বন্ধন বাড়াতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। তবে যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দিল্লি ও চীনের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখতে চায় বাংলাদেশ। যদিও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশ চীনের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করেছে।
এশিয়া টাইমসের বরাত দিয়ে লেটেস্টির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে এ কারণে নিজস্ব যোগ্যতায় ঢাকার সঙ্গে একটি শক্তিশালী সম্পর্ক অনুসরণ করা ওয়াশিংটনের জন্য অপরিহার্য। এবং শুধুমাত্র বাংলাদেশকে চীন বিরোধী শিবিরে নিয়ে না আসা।
এরআগে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং একপ্রকার হুঁশিয়ার বার্তা দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের মধ্যে জোট 'কোয়াড' এ বাংলাদেশের অংশগ্রহণ চীন ও বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে যথেষ্ট খারাপ করবে।
এশিয়া টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৩ সালে বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ চালুর পর ঢাকার সঙ্গে চীনের সম্পর্ক উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নতি ঘটেছে। এবং ২০১৬ সালে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বাংলাদেশ সফরের পর এই দেশ দুইটির সম্পর্ক কৌশলগত অংশীদারিত্বে উন্নীত করে।
