তামিল অধ্যুষিত প্রদেশে চীনা রাষ্ট্রদূতের সফর, উদ্বেগ বাড়ছে ভারতের

আপডেট : ০২ জানুয়ারি ২০২২, ১৫:৫৫

প্রথমবারের মতো  গত বছরের ১৫ থেকে ১৭ ডিসেম্বরে  শ্রীলঙ্কায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত কিও ঝেনহং  দেশটির তামিল অধ্যুষিত প্রদেশে সফর করেছেন।

এনিয়ে চীনা দূতাবাসের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে শ্রীলঙ্কার এই প্রদেশে চীনা রাষ্ট্রদূতের সফরের পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু করোনায় বাজে পরিস্থিতি এবং ব্যস্ত সূচির কারণে তা সম্ভব হয়নি।

তিন দিনের সফরে চীনা রাষ্ট্রদূত কিও ঝেনহং জাফনা পাবলিক লাইব্রেরি পরিদর্শন করেছন এবং করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে স্থানীয়দের মধ্যে খাদ্য সরবরাহ করেছেন।

ওই অঞ্চলের ভূ-রাজনীতির সঙ্গে পরিচিত বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেছেন,  চীনের এই 'সংহতি' শ্রীলঙ্কার তামিল জেলেদের মন জয় করতে।

শ্রীলঙ্কার ভূ-রাজনীতি ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা উপদেষ্টা আসাঙ্গা আবেয়াগুনসেকারা বলেছেন, চীন এখন একই সঙ্গে সংখ্যাগরিষ্ঠ এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে সন্তুষ্ট করার জন্য দ্বৈত পদ্ধতির কৌশল নিচ্ছে। চীনা রাষ্ট্রদূতের এই সফর এবং দেশটির উত্তর প্রদেশে যথেষ্ট সহায়তা চীনা পদচিহ্ন সম্প্রসারণের একটি কৌশলগত পদক্ষেপ, যা  প্রাথমিক  হিসাবে মৎস্যজীবী সম্প্রদায়কে লক্ষ করা হয়েছে। 

নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের ধারণা, বেইজিং শ্রীলঙ্কাকে ভারত মহাসাগরে বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের একটি ভূ-কৌশলগত কেন্দ্র হিসেবে দেখে।

এনিয়ে সাবেক আঞ্চলিক কমান্ডার কোস্ট গার্ড পূর্ব অঞ্চল ও বর্তমানে চেন্নাই সেন্টার ফর চায়না স্টাডিজের পরিচালক আর এস ভাসান বলেন, ভারতের এনিয়ে সতর্ক পদক্ষেপ নেওয়া।

তিনি আরো বলেন, চীন তাদের সুবিধার জন্য যেকোন কার্ড খেলতে পারে। এবং চীন যদি তা ভারত কার্ড খেলে তাতে আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই।