নন্দীগ্রামে ঠাণ্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে

আপডেট : ০৫ জানুয়ারি ২০২২, ১১:৫৩

নন্দীগ্রামে ঠাণ্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। গত কয়েক দিনে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শিশু রোগীর সংখ্যাও বেড়েছে। শীতের তীব্রতার সঙ্গে সঙ্গে রোটা ভাইরাস সংক্রমণে বাড়ছে শিশুদের ডায়রিয়া। এছাড়া সর্দি-কাশি ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত রোগীও ভর্তি হচ্ছে হাসপাতালগুলোতে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিত্সক (আরএমও) ডা. ইকবাল মাহ্মুদ লিটন জানান, শীতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঠাণ্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে অনেক রোগীই হাসপাতালে আসছে। বিশেষ করে শিশুরা বেশি ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে। রোটা ভাইরাস সংক্রমণের কারণে শিশুদের ডায়রিয়া বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি আরো বলেন, গত ৯ দিনে ৬৬ জন শিশুকে ডায়রিয়ার কারণে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এখানে চিকিৎসা নিতে আসা উপজেলার বেলঘড়িয়া গ্রামের শিশু মাহ্মুদ হাসানের বাবা শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমার ছেলের ডায়রিয়া শুরু হলে ডাক্তারের পরামর্শে তিন দিন আগে হাসপাতালে ভর্তি করাই। এখন অনেকটাই ভালো আছে।’ চিকিৎসা নিতে আসা কাহালু উপজেলার শান্তা গ্রামের ছয় মাসের শিশু জাজিম বাবুর মা জাকিয়া সুলতানা বলেন, ‘গত দুই দিন হলো আমার ছেলে বারবার বমি ও পাতলা পায়খানা করছিল। ডাক্তারের পরামর্শে হাসপাতালে ভর্তি করে দিয়েছি। এখন এখানেই চিকিৎসা চলছে।’

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তোফাজ্জল হোসেন মন্ডল বলেন, শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। শিশুদের যেন ঠাণ্ডা না লাগে, সে বিষয়ে অভিভাবকদের সতর্ক থাকতে হবে। এছাড়া শিশুদের গরম পরিবেশে রাখার পাশাপাশি গরম খাবার ও বেশি করে তরল খাবার খাওয়াতে হবে।

ইত্তেফাক/কেকে