কিশোরগঞ্জ উপজেলার নিতাই ইউনিয়নে চাড়ালকাটা নদীর ৭৫০ মিটার লুপকাট খনন কাজের মাটি ও বালু অন্যত্র বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয় প্রভাবশালী একটি মাটি বিক্রেতা সিন্ডিকেট এ মাটি ও বালু অন্যত্র বিক্রি করছে। স্থানীয়রা এ ব্যাপারে সৈয়দপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী কৃষ্ণ কমল চন্দ্র সরকারের কাছে অভিযোগ দিয়েছেন।
সরজমিনে ও স্থানীয়দের অভিযোগে জানা গেছে, সৈয়দপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতায় ২০২১-২০২২ অর্থবছরে চাড়ালকাটা নদী লুপকাট খনন কাজের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয় ২ কোটি ৬২ লাখ টাকা। এ প্রকল্প এলাকার মাটি একটি নির্দিষ্ট স্থানে রেখে দরপত্র বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিক্রি করার নিয়ম থাকলেও মানছেন না সিন্ডিকেট চক্র। অবাধে দিনে ও রাতে মাটি ও বালু বিক্রি চলছে। প্রকল্প এলাকার স্থানীয় প্রভাবশালীরা বালু ও মাটি বিক্রির সঙ্গে জড়িত। দেদারছে চলছে মাটি ও বালু বিক্রি। দিনের বেলা ছোট এবং বড় ট্রাক্টর দিয়ে মাটি পাচার করা হয়। রাতে চলে ড্রাম ট্রাক। ঐ ট্রাকে বিভিন্ন স্থানে বালু পরিবহন করা হয়। ফলে সরকার বিপুল অঙ্কের রাজস্ব হারাচ্ছে। এ ব্যাপারে কার্য সহকারী মোরশেদুল আলম রতনের সঙ্গে কথা হলে তিনি বালু ও মাটি পাচারের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, বালু ও মাটি নির্দিষ্ট স্থানে রাখা হচ্ছে।
সৈয়দপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী কৃষ্ণ কমল চন্দ্র সরকারের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনাটি অবিলম্বে তদন্ত করে দেখা হবে।
