নাগেশ্বরীতে গত কয়েক দিন ধরে ঘন কুয়াশার সঙ্গে বইছে মৃদুমন্দ বাতাস। কমছে তাপমাত্রা। হিমশীতল ঠান্ডায় কাঁপছে জীবকুল। বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী মানুষ। গত এক সপ্তাহ ধরে কুয়াশা মুড়ি দিয়ে সকাল আসে অনেক দেরিতে। সূর্যের আলোর দেখা মেলে বেলা ১১টার পরে। এদিকে সন্ধ্যা নামে নির্ধারিত সময়ের অনেক আগে। তার আগেই ফাঁকা হয়ে যায় রাস্তাঘাট।
তবে কুয়াশাচ্ছন্ন সকালে শীত উপেক্ষা করে কাজে যেতে হয় শ্রমজীবীদের। রাতেও গরম কাপড়ের অভাবে কষ্ট করতে হয় স্বল্প আয়ের এসব মানুষকে। এদিকে কুয়াশার কারণে দিনের বেলায়ও হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চলাচল করে সড়কে।
কচাকাটা ইউনিয়নের অটোরিকশাচালক মিলন মিয়া জানান, সকালে অটোরিকশা নিয়ে বের হলে হাত-পা ঠান্ডা হয়ে আসে, আবার কুয়াশায় কিছু দেখা যায় না। সড়কে যাত্রী কমে গেছে।
কুড়িগ্রামের রাজারহাট আবহাওয়া ও কৃষি পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান, তিন দিন ধরে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ থেকে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে ওঠানামা করছে। বুধবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।
