অ্যাশেজে ড্র হওয়া ম্যাচের সংখ্যা ভুরিভুরি। তবে এক উইকেট হাতে রেখে ড্রয়ের সংখ্যা কেবল দুটি। প্রথমটা ২০০৫ ম্যানচেস্টারে। রবিবার (৯ জানুয়ারি) সিডনি টেস্ট শেষে যুক্ত হলো এর নতুন সংযোজন। সিরিজ নিশ্চিতের পর অস্ট্রেলিয়ার লক্ষ্য ছিল ইংল্যান্ডকে খালি হাতে দেশে পাঠানো। তবে রবিবার লড়াকু এক ড্রয়ের গল্প লিখে অর্জনের খাতাটা আর ফাঁকা রাখলো না জো রুটের দল।
সিডনিতেই গত বছর চোট, বলের আঘাতের পরও লড়াই করে জয়ের সমান ড্র করেছিল ভারত। ইংল্যান্ডের জন্য এই ড্র ভিন্ন কিছু নয়। ৩৮৮ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শেষ দিন মাটি কামড়ে পড়ে থাকার চেষ্টা করে তারা। ৭৭ রানে ফিরে যান ওপেনার জ্যাক ক্রলি। ইনজুরি নিয়েও বল নষ্ট করার লক্ষ্যে উইকেটে টিকে ছিলেন বেন স্টোকস (৬০) ও জনি বেয়ারস্টো (৪১)।
কিন্তু তারপরও কক্ষপথ থেকে দূরে সরেনি অস্ট্রেলিয়া। বেয়ারস্টো ফিরে যাওয়ার পর এই যেন জয় হাতে ধরা দিলো। তবে ফ্লাডলাইটের আলোয় শেষ ৬৪ বল ঠেকিয়ে নায়ক বনে যান জ্যাক লিচ, স্টুয়ার্ট ব্রড ও জেমস অ্যান্ডারসন। লিচকে শিকার করে ছয় বছর পর উইকেটের দেখা পাওয়া স্টিভ স্মিথের হাতেই শেষ ওভারটি তুলে দিয়েছিলেন অধিনায়ক প্যাট কামিন্স। ব্যাটিং প্রান্তে জেমস অ্যান্ডারসন। একজন নিখুত ব্যাটারের মতোই ছয়টি বল ঠেকিয়ে দলকে সিরিজে একটু খানি স্বস্তির নিঃশ্বাস এনে দেন তিনি।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
অস্ট্রেলিয়া: প্রথম ইনিংস ৪১৬/৮ ডি.
উসমান খাজা ১৩৭, স্টিভেন স্মিথ ৬৭, স্টুয়ার্ট ব্রড ১০১/৫
ইংল্যান্ড: প্রথম ইনিংস ২৯৪/১০
জনি বেয়ারস্টো ১১৩, বেন স্টোকস ৬৬, স্কট বোল্যান্ড ৩৬/৪
অস্ট্রেলিয়া: দ্বিতীয় ইনিংস ২৬৫/৬ ডি.
উসমান খাজা ১০১, ক্যামেরুন গ্রিন ৭৪, জ্যাক লিচ ৮৪/৪
ইংল্যান্ড: দ্বিতীয় ইনিংস ২৭০/৯
জ্যাক ক্রাউলি ৭৭, বেন স্টোকস ৬০, স্কট বোল্যান্ড ৩০/৩
ফল: ড্র, ম্যাচ সেরা: উসমান খাজা
