ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) টিএসসির পায়রা চত্ত্বরে কাওয়ালি গানের আসরে হামলার প্রতিবাদে কাওয়ালি মিছিল করেছেন বেশ কয়েকটি ছাত্র সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। বৃহস্পতিবার দুপুর ১টায় হামলার স্থল থেকে এ মিছিল শুরু হয়।
মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রক্টর অফিসের সামনে এসে শেষ হয়। এছাড়া সন্ধ্যায় বিকেলে ছাত্র-ফেডারেশানের নেতা-কর্মী, সন্ধ্যায় শাহবাগে ধিক্কার সমাবেশ করে পিপলস অ্যক্টিভিস্ক কোয়ালিশান (প্যাক)।
কাওয়ালি মিছিল শেষে এক সমাবেশে ছাত্র অধিকার পরিষদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সহসভাপতি আসিফ মাহমুদ বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো প্রগতিশীল জায়গায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে হামলা করেছে ছাত্রলীগ। ছাত্রলীগ আজকে বুঝিয়ে দিতে চেয়েছে সংগঠনটি শিক্ষার্থীদের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড থেকে ক্রমাগত দূরে সরে গেছে।
ছাত্র ইউনিয়নের কর্মী ফাহিম শিহাব রেওয়াজ ছাত্রলীগকে ইতিহাসকে ভালোভাবে পড়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ইতিহাসে দেখতে পাই বঙ্গবন্ধুও কাওয়ালিপ্রেমী ছিল। বাংলাদেশের মানুষের আন্দোলন কোনো ভাষা বা সংস্কৃতির বিরুদ্ধে ছিলো না, ছিলো শোষণের বিরুদ্ধে। ১৯৪৭ থেকে ১৯৭১ পর্যন্ত যে যে কায়দায় পাকিস্তানি শাসকরা আমাদের ওপর অত্যাচার চালিয়েছে একই কায়দায় আওয়ামী সরকার আমাদের শোষণ করছে। তারই অংশ হিসেবে এই ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগ আমাদের গান, প্রেম ও সুরের ওপর হামলা করছে।
