‘এ বছর আমার প্রতিষ্ঠান থেকে নতুন ছবি আসছে’ 

আপডেট : ১৬ জানুয়ারি ২০২২, ০১:২২

ক্যারিয়ার ঝুলিতে বেশ কয়েকটি ব্যবসাসফল চলচ্চিত্র জমা করার পাশাপাশি এরইমধ্যে প্রযোজনাতেও নাম লিখিয়েছেন চিত্রনায়িকা ইয়ামিন হক ববি। শিগগিরই নতুন ছবি প্রযোজনা করতে যাচ্ছেন তিনি। এছাড়া এ বছরই কলকাতার আরো একটি ছবিতে দেখা যাবে তাকে। নিজের অভিনয় ব্যস্ততাসহ ইন্ডাস্ট্রির নানা বিষয় নিয়ে তিনি কথা বললেন ইত্তেফাকের সঙ্গে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন এ এম রুবেল

বর্তমান কাজের ব্যস্ততা নিয়ে জানতে চাই

— রাশেদ পলাশের ‘ময়ূরাক্ষী’ সিনেমাটির কাজ করছি। এছাড়া আরটিভির একটি ওয়েব ফিল্মসহ বেশ কয়েকটি সিনেমার কথা চলছে।

নতুন বছরে ওপার বাংলার চলচ্চিত্রের খবরে ববি থাকছেন কি-না?

হ্যাঁ, এ বছর ওপার বাংলার একটি সিনেমার কাজ শুরু হতে পারে। এরইমধ্যে ভিসাও করা হয়েছে। কিন্তু করোনার কারণে যাওয়ার কথা থাকলেও যেতে পারিনি। তবে পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে শিগগিরই যাওয়ার ইচ্ছে আছে।

গুঞ্জন ছিল চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে থাকছেন। কিন্তু পরে আপনাকে দেখা যায়নি। এর কারণ কী?

আমাকে একটি প্যানেল থেকে অনেকবারই অনুরোধ করেছিল নির্বাচন করার জন্য। কিন্তু আমার ইচ্ছে থাকলেও সেটা সম্ভব হয়নি। কারণ আমার পরিবারের সবাই বাইরে থাকে, ব্যবসা ও অভিনয়েও সময় দিতে হয়। যারা আমাকে নির্বাচিত করবেন তাদের যদি সময় দিতে না পারি তবে আস্থার জায়গাটা নষ্ট হবে। তবে চাই, যারাই নির্বাচিত হোক সুষ্ঠু পরিবেশ যেন বজায় থাকে। বাইরের মানুষ যেন আমাদের কাঁদা ছোঁড়াছুড়ি করা দেখে না হাসে!

করোনা পরবর্তী সময়ে অনেকের সিনেমা হলে এলেও আপনার কোনো সিনেমা পায়নি দর্শকরা। তাদের অপেক্ষার পালা কবে শেষ হচ্ছে?

আমার ‘বৃদ্ধাশ্রম’ ও ‘নীলিমা’ সিনেমা দুটির কাজ শেষ হয়েছে। এর মধ্যে বৃদ্ধাশ্রম সিনেমাটি নির্মাতা চাইলে যেকোনো সময় পর্দায় আসতে পারে।

‘বিজলি’ ছবিটির পর আপনাকে প্রযোজনায় সেভাবে দেখা যাচ্ছে না কেন?

আমার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান থেকে একটি সিনেমার কাজ করোনার মাঝে শুরু করার কথা ছিল। কিন্তু নানা কারণে সেটা সম্ভব হয়নি। তবে এ বছর আমার প্রতিষ্ঠান থেকে নতুন ছবি আসছে।

হলে নতুন ছবি ফিরলেও ছবিগুলো দর্শক ফেরাতে ব্যর্থ হচ্ছে। এই অবস্থা থেকে উত্তরণের উপায় কী বলে মনে করেন?

আমাদের চলচ্চিত্র তো অনেক আগে থেকেই সমস্যায় রয়েছে। তার ওপর করোনার সব হিসেব পাল্টে দিয়েছে। হলের পরিবেশও তো সিনেমা দেখার মতো নেই। তাছাড়া মানুষের পকেটে যদি খাবারের টাকা না থাকে তাহলে সিনেমার টিকেট কিনবে কীভাবে!

একটি ওয়েব ফিল্মের কাজ শুরু করেতে যাচ্ছেন। মাধ্যমটি নিয়ে আপনার পরিকল্পনা কী?

দেখুন, করোনাকালীন আমি চাইলে ওয়েব সিরিজ বা নাটকে অভিনয় করে অনেক টাকা আয় করতে পারতাম। অনেকে অফারও করেছেন। কিন্তু আপনারা আমাকে যে অবস্থানে নিয়ে এসেছেন এবং আমাকে যেভাবে দেখতে চান সেখান থেকে নিজেকে সরাতে চাইনি। এই ওয়েব ফিল্মটির করার আগেও তারা আমাকে বলেছে এর কাহিনী আমাকে ঘিরে তৈরি করা হয়েছে। অনেক ভেবে, দেখে-শুনে কাজটি করতে রাজি হয়েছি। গল্পে ভিন্নতা না থাকলে বা চলচ্চিত্র না হলেও চলচ্চিত্রের মানের না হলে তো কাজ করব না।

ওটিটি নিয়ে অনেকেই আশায় বুক বাঁধছেন। মাধ্যমটি চলচ্চিত্র সংকট নিরসনে আদৌ কী ভূমিকা রাখতে পারবে?

আমিও মাধ্যমটি নিয়ে আশাবাদী। তবে সেই কাজটি মানসম্মত হতে হবে। ভালো কাজ হলে সিনেমাহলে মুক্তির পাশাপাশি ওটিটিতে মুক্তি দিলে চলচ্চিত্রের জন্য সহায়ক হতে পারবে। 

ইত্তেফাক/এএএম

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন