‘বাংলাদেশের মানুষ সবসময় আমাকে মনে জায়গা দিয়েছে’

আপডেট : ১৯ জানুয়ারি ২০২২, ০১:৪৩

এক বুক আশা নিয়ে বাংলাদেশের ক্রিকেটে এসেছিলেন স্টিভ রোডস। নিপাট ভদ্রলোক, বিনয়ী এই ইংলিশ কোচের হাত ধরে সাফল্যও আসছিল। ২০১৮ সালে এশিয়া কাপের ফাইনালে খেলা, ২০১৯ সালে প্রথম ত্রিদেশীয় সিরিজ জয় তার অধীনেই। কিন্তু বিশ্বকাপে ব্যর্থতার কারণে টাইগারদের হেড কোচের পদ থেকে তাকে সরিয়ে দেয় বিসিবি। তাই নিজের মেয়াদ শেষ না করেই নীরবে লন্ডনে ফিরে যান রোডস।

প্রায় আড়াই বছর পর বিপিএলের দল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের পরামর্শক হয়ে বাংলাদেশে ফিরেছেন ৫৭ বছর বয়সী এই কোচ। টানা দুই দিন কুমিল্লার অনুশীলনে থাকার পর মঙ্গলবার (১৮ জানুয়ারি) সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন রোডস।

মিরপুর স্টেডিয়ামে অকপটেই বাংলাদেশের সাবেক হেড কোচ জানালেন, দূরে থাকলেও তার হৃদয়ে সবসময় জাগ্রত ছিল বাংলাদেশের ক্রিকেট। সবসময় টাইগারদের খেলার খোঁজখবর রেখেছেন। বিসিবির চাকরি, সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে মুখ খুলতে রাজি নন তিনি। কুমিল্লার হয়ে বিপিএল উপভোগ করতে মুখিয়ে অভিজ্ঞ এই কোচ।

বাংলাদেশে ফেরার বিষয়ে রোডস বলেছেন, ‘ফিরে আসতে পেরে খুব ভালো লাগছে। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স আমাকে দারুণভাবে স্বাগত জানিয়েছে, যা আমার কাছে বিশেষ কিছু। যখনই আমি বাংলাদেশে এসেছি এখানকার মানুষ সবসময়ই আমাকে মনে জায়গা দিয়েছে। সবাই খুব বন্ধুসুলভ। এখানে ভালো মানুষদের মাঝে আমি খুবই সম্মানিত বোধ করি, উপভোগ করি।’

কাগজে-কলমে বিচ্ছেদ হলেও রোডসের অন্তরে বিশেষ জায়গা জুড়ে ছিল বাংলাদেশের ক্রিকেট। তিনি বলেন, ‘এটা হয়তো একটু অন্যরকম শোনাবে, কিন্তু আমি বাংলাদেশ ক্রিকেট খুব-খুব মনযোগের সঙ্গে অনুসরণ করেছি। আমি বাংলাদেশে আমার সময়টা খুব উপভোগ করেছি। সামনের পাঁচ সপ্তাহ কুমিল্লার সঙ্গে থাকবো। হ্যাঁ, সত্যি আমি বাংলাদেশ ক্রিকেটে কি যাচ্ছে, আপনারা বাংলাদেশ ক্রিকেট নিয়ে কিসের ভেতর দিয়ে গিয়েছেন সবই অনুসরণ করেছি।’

কুমিল্লার হেড কোচ সালাউদ্দিনকে সাহায্য করাই বিপিএলে নিজের মূল ভূমিকা মনে করেন রোডস। মঙ্গলবার একাডেমি মাঠে দেখা হয়েছিল মাশরাফি-মাহমুদউল্লাহদের সঙ্গেও। পুরনো ছাত্রদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেছেন তিনি। বিসিবির সঙ্গে ঘটে যাওয়া অতীত নিয়ে কথা বলতে চান না রোডস। তিনি বলেন, ‘আমি বিসিবি সংক্রান্ত কোনো আলোচনাতেই জড়াতে চাই না। এটা ঠিক না, কারণ এটা অতীত হয়ে গেছে।’

ইত্তেফাক/টিএ