‘রাজনীতির মহাকবি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব’ এককথায় গবেষণাগ্রন্থ। জাতির পিতা শেখ মুজিব কীভাবে বাংলাদেশ নামের স্বাধীন একটি ভূখণ্ডের সৃষ্টি করেছেন, তাঁর সংগ্রামমুখর দিনলিপি জানা যাবে এই গ্রন্থ পাঠে। এটি তপন দেবনাথের ২৭তম গ্রন্থ। লেখক নিজেই মুক্তিযুদ্ধের প্রত্যক্ষদর্শী, তিনি একাত্তরকে দেখেছেন।
লেখক এই বইয়ের ‘২৫ মার্চ কালরাত : যে কারণে বঙ্গবন্ধু আত্মগোপনে যাননি’ পরিচ্ছেদে লেখেন, ‘১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতের ইতিহাসের নৃশংসতা হত্যাযজ্ঞ নিয়ে এ যাবৎ জল কম ঘোলা হয়নি।’ বইটির প্রতিটি পরিচ্ছেদে পাঠক মুক্তিযুদ্ধের অনেক অজানা কিছু জানতে পারবেন।
লেখক তাঁর কাব্যসুলভ গদ্যে চোখের সামনে নিয়ে আসেন যুদ্ধকে। নিয়ে আসেন ঐ সময়কার বিধ্বস্ত বাংলাদেশকে। নিয়ে আসেন অনেকের ত্যাগের কথা। ‘জগজিৎ সিং অরোরা ও বাংলাদেশ’ পরিচ্ছেদে রয়েছে দেশকে শত্রুমুক্ত করতে প্রতিবেশী ভারতের অবদান, ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্ধিরা গান্ধীর প্রচেষ্টার কথা।
বইটি মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে। তবু লেখকের মুন্সিয়ানা ও অপূর্ব স্মৃতিচারণায় শেষ পরিচ্ছেদে আজকের বাংলাদেশের উন্নয়নের কথাও প্রাসঙ্গিকভাবে উঠে এসেছে।
ধ্রুব এষের আঁকা প্রচ্ছদে কিরীটি বিশ্বাসের পেইন্টিং ব্যবহার করা হয়েছে, যেখানে শেখ মুজিবের অবিচল একটি পোর্ট্রেট আছে। বইটির প্রকাশকাল ২০২০-এর ফেব্রুয়ারি।
