দেশে দিনে দিনে ওমিক্রন বাড়ছে। আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি প্রিমিয়ার লিগ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। হাতে সময় কম। ১২ খোলোড়ার অনুশীলনে ব্যস্ত। তাদের এই ব্যস্ততার মধ্যে দুশ্চিন্তা হচ্ছে ওমিক্রন সংক্রমণ। এখনো সেভাবে খেলোয়াড়দের কেউ আক্রান্ত না হলেও যে কোনো সময় যে কেউ আক্রান্ত হতে পারেন এমন সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছেন না। ওমিক্রনের আতঙ্ক ফুটবল অঙ্গনেও ঘোরপাক খাচ্ছে।
মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের ফুটবল দলনেতা আবু হাসান চৌধুরী প্রিন্স বলছিলেন, তারা খুব সাবধানে পা বাড়াচ্ছেন। ওমিক্রন বাড়ছে, সেটি নজর রাখছেন। তবে খেলোয়াড়দের ওপর কড়া নজর আছে অনুশীলনের বাইরে যেন খেলোয়াড়রা খুব একটা ঘোরাঘুরি করতে না যায়। প্রিন্স বললেন, ‘মোহামেডানে এখন সবকিছুই ঠিকঠাক চলছে। ওমিক্রন এখনো ঢুকতে পারেনি।’
রহমতগঞ্জের সাধারণ সম্পাদক ইমতিয়াজ হামিদ সবুজ জানালেন, ঠান্ডার একটা হিড়িক চলছে। আমাদের দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে ঠান্ডা-কাশি চলছে। আমরা পরীক্ষা করিয়েছিলাম, কিন্তু কারো রেজাল্ট নেগেটিভ-পজিটিভ আসেনি। সবাই ভালো আছে। অনুশীলনও করছে। এক জন বিদেশি ফুটবলারের ঠান্ডা লেগেছে, সেটাও খুব একটা খারাপের দিকে নেই।’
সাইফ স্পোর্টিং ক্লাবের ফুটবলারদের কড়া নজরে রাখা হয়েছে। তারা বায়োবলে রয়েছে বলে জানিয়েছেন দলের এমডি ইঞ্জিনিয়ার নাসির চৌধুরী। খেলোয়াড়দের যাওয়া-আসার জন্য পৃথক বাস। কেউ চাইলেই বাইরে ঘোরাঘুরি করতে পারবে না। বাইরে বের হওয়া প্রায় নিষেধই করা হয়েছে। নাসির চৌধুরী বললেন,‘এখন একজন ফুটবলার আক্রান্ত হওয়ার মানে হচ্ছে পিছিয়ে যাওয়া। আমরা অর্থ ব্যয় করছি দলের ভালোর জন্য, তাই খেলোয়াড়দের স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে কড়াকড়ি নিয়মটাও জরুরি।’
আবাহনীর ফুটবল ক্যাম্প নিজেদের মাঠের কোনায়। ম্যানেজার সত্যজিত দাস রুপু বললেন, ‘আমাদের প্লেয়াররা ক্যাম্পের বাইরে যায় না। কারো কোনো জরুরি প্রয়োজন হলে বের হয়, তবে মুখে মাস্ক ব্যবহারে কড়া নির্দেশ রয়েছে।’ রুপু বলেন, ‘ফরেন প্লেয়াররা নিজ নিজ বাসায় থাকেন। তারাও কেউ বের হয় না।’ তিনি বলেন, এই সময়টা সাবধান থাকা জরুরি; কারণ দুই দিন বাদে লিগের খেলা শুরু হবে।’ আবাহনী এবার স্বাধীনতা কাপ এবং ফেডারেশন কাপ ফুটবল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। তারা এখন লিগ চ্যাম্পিয়ন হয়ে ট্রেবল জয় করতে চায়।
