সাবেক দুই প্রতিমন্ত্রীসহ তিন এমপির বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট : ২১ আগস্ট ২০১৪, ২১:৫১
মহাজোট সারকারের সাবেক দুই প্রতিমন্ত্রী ও একজন সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করছে দুর্নীতি দমন কমিশন। এরা হলেন পটুয়াখালী-৪ আসনের সাংসদ (সাবেক পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী) মাহবুবুর রহমান, সাবেক গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আব্দুল মান্নান খান ও কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনের সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদি। তাদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় বহির্ভুত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। 
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রধান কার্যালয়ে নিয়মিত বৈঠকে মামলার অনুমোদন দেওয়া হয়। এরপর দুপুর ৩ টার দিকে রমনা থানায় এ তিনজনের বিরুদ্ধে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলা নম্বর ৩৫,৩৬ ও ৩৭। দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৬(২), ২৭(১) ধারায় প্রতিটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। সাবেক গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আব্দুল মান্নান খানের বিরুদ্ধে দুদকের উপ-পরিচালক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী তালুকদার মাহবুবুর রহমানের বিরুদ্ধে দুদকের উপ-পরিচালক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুস সোবহান এবং কক্সবাজারের সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদির বিরুদ্ধে বাদি হয়ে পৃথক এতিনটি মামলা দায়ের করেন। 
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, আব্দুল মান্নান খান দুদকে দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে চার লাখ ৫৯ হাজার ৫৯৭ টাকা মূল্যের সম্পদের তথ্য গোপনপূর্বক মিথ্যা তথ্য প্রদান করেছেন। এ ছাড়া তার আয়েরে উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ৭৫ লাখ চার হাজার ২৬২ টাকা মুল্যর সম্পদের মালিকানা অর্জনের অভিযোগে ৩৫ নম্বর মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।
মাহবুবুর রহমানের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলায় বলা হয়েছে, তিনি মোট পাঁচ কোটি ৭৫ লাখ ৬৬ হাজার ৭২ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভুত সম্পদ অর্জন করে তা দখলে রেখেছেন। মালিকানা অর্জনের উদ্দেশ্যে তিনি রেজিস্ট্রি বায়নানামা সম্পাদন করেছেন। এ ছাড়া এক কোটি ২৪ লাখ ৪০ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করে কমিশনে দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে মিথ্যা তথ্য প্রদান করেছন। এ অভিযোগে মাহবুবুর রহমানের বিরুদ্ধে ৩৬ নম্বর মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।
এদিকে আব্দুর রহমান বদি বিরুদ্ধে দায়েরকৃত রমনা থানার ৩৭ নম্বর মামলায় বলা হয়েছে, তিনি জ্ঞাত আয় বহির্ভুত দশ কোটি ৮৬ লাখ ৮১ হাজার ৬৬৯ টাকা মূল্যমানের সম্পদ গোপন করে দুদকে মিথ্যা তথ্য প্রদান করেছেন। এ ছাড়া অবৈধভাবে অর্জিত সম্পদের বৈধতা দেখানোর জন্য কমমূল্যের সম্পদ ক্রয় দেখিয়ে এক কোটি ৯৮ লাখ তিন হাজার ৩৭৫ টাকা বেশি মূল্যে বিক্রি দেখিয়েছেন।