'তিন মাসে ফুলবাড়ি চুক্তি বাস্তবায়ন না হলে আন্দোলন'

আপডেট : ২৬ আগস্ট ২০১৪, ২১:১২
তেল গ্যাস খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেছেন, আগামী তিন মাসের মধ্যে সরকারের সাথে সম্পাদিত ফুলবাড়ি সমঝোতা চুক্তির ছয় দফার পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন করা না হলে  ফুলবাড়ি, পার্বতীপুর, বিরামপুর, নবাবগঞ্জ, হাকিমপুর ও ঘোড়াঘাট এই ছয় উপজেলার জনগণকে নিয়ে কঠোর আন্দোলন সংগ্রাম গড়ে তোলা হবে।
আজ মঙ্গলবার দিনাজপুরের ফুলবাড়ি কয়লাখনি বিরোধী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
দিনাজপুরের ফুলবাড়ি উপজেলা শাখা তেল গ্যাস খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির উদ্যোগে কয়লাখনি বিরোধী সমাবেশে প্রধান বক্তা ছিলেন তিনি। ফুলবাড়ি উপজেলা শাখা তেল গ্যাস খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক সৈয়দ সাইফুল ইসলাম জুয়েলের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের আহ্বায়ক প্রকৌশলী শেখ মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ, ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা এমপি, অধ্যাপক ইয়াসিন আলী এমপি, জাতীয় গণফ্রন্টের সমন্বয়ক টিপু বিশ্বাস, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম, বাসদের শুভ্রাংসু চক্রবর্তী, বজলুর রশিদ ফিরোজ, গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগের নজরুল ইসলাম, তেল গ্যাস জাতীয় কমিটির কেন্দ্রীয় সদস্য প্রকৌশলী কল্লোল মোস্তফা, সৈদয় মোসাদ্দেক হোসেন লাবু, জেলা কমিটির আহ্বায়ক আলতাফ হোসাইন, সদস্য সচিব রবিউল আওয়াল খোকা, স্থানীয় নেতাদের মধ্যে জয়প্রকাশ গুপ্ত, আমিনুল ইসলাম বাবলু, আব্দুল মজিদ চৌধুরী, এসএম নূরুজ্জামান জামান, এমএ কাইয়ুম, শফিকুল ইসলাম শিকদার, সঞ্জিত প্রসাদ জিতু প্রমুখ।
এদিকে, ফুলবাড়ি সম্মিলিত পেশাজীবী সংগঠনের উদ্যোগে সকাল ১০টায় স্থানীয় ব্যবসায়ী সমিতি চত্বর থেকে সংগঠনের সমন্বয়ক ও ফুলবাড়ি পৌরসভার মেয়র মানিক সরকারের নেতৃত্বে শোক র‌্যালি নিয়ে শহীদ বেদীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করা হয়। পরে স্থানীয় উর্ব্বশী সিনেমা হলের সামনে ফুলবাড়ি থানা ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি নওশাদ আলম মুন্নার সভাপতিত্বে আয়োজিত খনি বিরোধী সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পেশাজীবী সংগঠনের সমন্বয়ক ও ফুলবাড়ি পৌরসভার মেয়র মুরতুজা সরকার মানিক। এতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সদস্য সচিব অধ্যাপক শেখ সাবীর আলী, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার লিয়াকত আলী, গোলাফ্ফর হোসেন, সাখাওয়াত হোসেন প্রমুখ।
শেষে সম্মিলিত পেশাজীবী সংগঠনের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
দিবসটিকে কেন্দ্র করে শহর জুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। তবে কোন ঘোষণা দেয়া না হলেও অন্যান্য বছরগুলোর মতোই সকাল থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত ফুলবাড়ি শহরে অঘোষিত হরতাল পালন করেছেন এলাকাবাসী।